Sunday, 8 November 2026
শিরোনাম
নিম্ন-মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে সব ধরনের মাছের দাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ কাবার সামনে দাঁড়িয়ে ‘বিয়ের ইঙ্গিত’ নীহার, জীবনসঙ্গী কে? রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার ভাটারা থানার সামনে স্কুল বাসে আগুন টিএসসি এলাকায় ককটেল ফাটাতে এসে ছাত্রদলের হাতে আটক সন্তান না হওয়ায় ৭ বছরের সংসারে বিচ্ছেদ, স্বামীর পা ধরেও থামাতে পারেননি স্ত্রী জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে হামদর্দের আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অ্যাটকোর সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী পুনর্নির্বাচিত, মহাসচিব আব্দুস সালাম এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে প্রায় ১১ লাখ আবেদন
এক্সক্লসিভ

সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম ও তার স্ত্রী-ছেলের নামে দুদকের মামলা

• • পঠিত 18 বার
শেয়ার করুন:
সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম ও তার স্ত্রী-ছেলের নামে দুদকের মামলা

অর্থপাচারসহ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংকে অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন সাবেক রেলমন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম, তার স্ত্রী সাঈদা হাকিম ও ছেলে আশিক মাহমুদ মিতুল। ওই তিন জনের ২৬টি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৩ শত কোটি টাকা লেনদেন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

ওই অভিযোগে বৃহস্পতিবার পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুদক। দুদকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

জানা যায়, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনসহ আওয়ামী লীগের টিকিটে ৫ বার রাজবাড়ী-২ আসনের এমপি হিসেবে জয়ী হন মো. জিল্লুল হাকিম। গত বছরের শুরুতে রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পান রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজবাড়ী-২ আসনের এই সংসদ সদস্য। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২৯ আগস্ট জিল্লুল হাকিমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নামে দুদক।

 

মো. জিল্লুল হাকিম ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পৃথক তিনটি মামলা।

 

প্রথম মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৯টি ব্যাংক হিসাবে ২৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি।

 

দ্বিতীয় মামলায় মো. জিল্লুল হাকিমের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার স্ত্রী সাঈদা হাকিমকে। তার বিরুদ্ধে ৪ কোটি ২৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৬টি ব্যাংক হিসাবে ২০ কোটি ২৪ লাখ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

 

তৃতীয় মামলায় মো. জিল্লুল হাকিমের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার ছেলে আশিক মাহমুদ মিতুলকে।

 

ওই মামলায় মিতুলের একটি অ্যাকাউন্টে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ২ কোটি ৬২ লাখ ৩২ হাজার ৬শত ৭১ টাকা অর্জন করেছেন। একইসঙ্গে এই অ্যাকাউন্ট থেকে তার মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ১৫ কোটি ৫০ লাখ ৮৬ হাজার ৫শত টাকা লেনদেন করা হয়েছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।