Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের লিফলেট বিতরণ ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড! মক্কেলের টাকার বিবেচনায় নয়, আইনজীবী হিসেবেই আদালতে দাঁড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত’ বলা সেই হাফিজ এখন জেলা জামায়াতের আমির এপেক্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের প্রেসিডেন্ট রিফাত-সেক্রেটারি সেলিম
জেলার খবর

মেয়ের চিকিৎসায় জমি বিক্রি করায় বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
মেয়ের চিকিৎসায় জমি বিক্রি করায় বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন

সিরাজগঞ্জে উল্লাপাড়া উপজেলার দহকুলা গ্রামে অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার জন্য জমি বিক্রি করায় ছেলের বউয়ের হাতে শাশুড়ি খুন হয়েছে। হত্যার সাত বছর পর এই রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পুত্রবধূ নাজমা খাতুন (৫৫) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

 

এর আগে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

 

হত্যাকাণ্ডের শিকার বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়া (৮০) উপজেলার দহকুলা গ্রামের মৃত আব্দুল গনির স্ত্রী। সোমবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার রেজাউল করিম। তিনি জানান, ভিকটিম মোমেনা বেওয়ার স্বামীর মৃত্যুর পর পুত্রবধূ নাজমা খাতুন ও নাতিদের সঙ্গে বসবাস করতেন। বৃদ্ধ মোমেনা বেওয়ার নামে কিছু জমি ছিল।

 

কিন্তু বৃদ্ধার মেয়ে সালমা খাতুন অসুস্থ হওয়ায় তার চিকিৎসার জন্য কিছু জমি বিক্রি করেন। এছাড়াও পুত্রবধূ নাজমা খাতুন অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল।

 

এই দুটি ঘটনা নিয়ে পুত্রবধূ ও নাতিদের সঙ্গে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়ার মনমালিন্য হয়। এরই জেরে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়ার হত্যার পরিকল্পনা করে পুত্রবধূ ও নাতিরা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৭ মে রাতে বৃদ্ধা মোমেনা বেওয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরনের শাড়ি দিয়ে ঘরের মধ্যে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখে। পরে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার-প্রচারনা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।

 

এ ঘটনায় বৃদ্ধার মেয়ের জামাই মাহবুবুল আলম বুলু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ময়না তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, বৃদ্ধ মোমেনা বেওয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিহত মোমেনা বেওয়ার আরেক নাতী আমিরুল ইসলাম বাবু বাদী হয়ে তিন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। দীর্ঘ ২ বছর ৯ মাস তদন্ত চলাকালে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নিহতের পুত্রবধু নাজমা খাতুনকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনী থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। গত ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।