Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের লিফলেট বিতরণ ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড! মক্কেলের টাকার বিবেচনায় নয়, আইনজীবী হিসেবেই আদালতে দাঁড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত’ বলা সেই হাফিজ এখন জেলা জামায়াতের আমির এপেক্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের প্রেসিডেন্ট রিফাত-সেক্রেটারি সেলিম
জেলার খবর

দেবীগঞ্জে পাইকারি বাজারে বেড়েছে সুপারির দাম

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
দেবীগঞ্জে পাইকারি বাজারে বেড়েছে সুপারির দাম

দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে সুপারির। এক মাসের ব্যবধানে আকার ও জাতভেদে প্রতি পন সুপারিতে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা। বাজারে চাহিদার বিপরীতে যোগান কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে সুপারির।

শনিবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার দেবীগঞ্জ বাজারের সুপারির হাট ঘুরে দেখা যায়, বাড়ির গাছ কিংবা বাগানের সুপারি বিক্রি করতে আনা চাষীরা অপেক্ষা করছেন কাঙ্ক্ষিত দামে সুপারি বিক্রি করার জন্য। পাইকাররা এসব সুপারি কিনে ছোট, বড় আলাদা আলাদা করে স্তুপ করে রেখেছেন।

সুপারি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই অঞ্চলে সুপারি বিক্রি হয় পন ও কাহন এককে। প্রতি পনে ৮০টি সুপারি থাকে এবং ১৬ পন সুপারিতে এক কাহন হয়। মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় চাহিদার তুলনায় বাজারে জোগান কম সুপারির। এক মাসের ব্যবধানে আকার ও জাতভেদে সুপারির দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে পাইকারি বাজারে ছোট সাইজের এক পন সুপারি ১৫০ থেকে ১৯০ টাকায়, মাঝারি সাইজের সুপারি ২৩০ থেকে ২৭০ টাকা এবং বড় সাইজের সুপারি ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জাকারিয়া ইসলাম নামে এক সুপারি ব্যবসায়ী বলেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট থেকে সুপারি কিনে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুপারি পাঠাই। প্রতি হাটে ২০০ থেকে ২৫০ পন পর্যন্ত সুপারি কিনি। তবে ইদানিং সুপারির জোগান কম, দাই দাম এখন বেশি।

হাসানুল ইসলাম নামে আরেক সুপারি ব্যবসায়ী প্রতিবেদককে বলেন, একমাস আগেও সুপারির দাম কম ছিলো। ছোট সাইজের সুপারি ১০০থেকে ১৩০ টাকায় এবং বড় সুপারি ২০০ থেকে ২৬০ টাকায় কিনেছি। বর্তমানে সুপারির দাম বেশি, এখন ছোট সুপারি কিনতেছি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং বড় সাইজের সুপারি ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকায়।

এদিকে, পুরো মৌসুম জুড়ে সুপারির দাম কম থাকায় শেষ সময় দাম বাড়লেও আশানুরূপ লাভ করতে পারছেন না সাধারণ চাষীরা।

টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের রামগঞ্জ বিলাসী থেকে সুপারি বিক্রি করতে আসা ওসমান আলী নামে এক চাষী বলেন, বাড়ির সাথেই ৩৫/৪০ টা সুপারির গাছ আছে। প্রতি বছর ভালো দামে বিক্রি করতে পারলেও এবার শুরু থেকেই দাম না পাওয়ায় লাভ হয় নি। এখন শেষ সময় দাম বেড়েছে কিন্তু গাছে তো আর ফল নেই।

সদর ইউনিয়নের পূর্ব দেবীডুবা এলাকার প্রাণ কৃষ্ণ নামে আরেক চাষী বলেন, আমার ছোট্ট একটা সুপারির বাগান আছে। প্রতি বছর সুপারি বিক্রি করে যে টাকা পাই সেটা বাড়ির কোন না কোন কাজে লাগানো যেতো। এবার শুরু থেকেই দাম কম ছিলো, তাই শেষ সময়ে দাম বাড়লেও আমাদের খুব একটা লাভ হবে না।

দেবীগঞ্জ বাজারের সুপারির হাটের ইজারাদারের প্রতিনিধি সামসুল আলম বলেন, প্রতি সপ্তাহের শনিবার এবং মঙ্গলবার বসে সুপারির হাট। বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসে সুপারি বিক্রি করতে। প্রতি হাটে ৫০০ থেকে ৭০০ পন পর্যন্ত সুপারি কেনা-বেচা হয়।

দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাঈম মোর্শেদ বলেন, দেবীগঞ্জ উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য উপযোগী। এখানে বড় পরিসরে বানিজ্যিক ভাবে সুপারি চাষ করা না হলেও গ্ৰাম এলাকায় প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কম-বেশি সুপারির গাছ এবং ছোট বাগান রয়েছে। এসব গাছ ও বাগানে উৎপাদিত সুপারি স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হচ্ছে।"

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।