Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
ক্যাম্পাস

২০২৪ যেন রাবিপ্রবিয়ানদের ৬৪ একর জুড়ে পরিণত হওয়া এক স্বপ্ন রাজ্য

admin • 23 Jan 2024, 09:30 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
২০২৪ যেন রাবিপ্রবিয়ানদের ৬৪ একর জুড়ে পরিণত হওয়া এক স্বপ্ন রাজ্য

রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রথম এবং একমাত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০১ সালে রাবিপ্রবি আইন পাস হয়ে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০১৫ সাল থেকে রাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে আসছে। লেক পাহাড়ের সমন্বয়ে ঘেরা অপরূপ সৌন্দর্যের এই ক্যাম্পাস পার্বত্য অঞ্চলের সম্ভাবনার জানান দেয়। বলা হয় অচির ভবিষ্যতে রাবিপ্রবিই হবে দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

 

২০১৯ সালে এটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করে। গুটিগুটি পায়ে রাবিপ্রবির আনুষ্ঠানিক যাত্রা প্রায় এক দশক হতে চলেছে। দেশের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের ন্যায় ২০২৪ এর নতুন বছরে রাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরাও নানাধরণের স্বপ্ন দেখছেন নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা থাকার পরেও রাবিপ্রবির প্রতি তাদের প্রত্যাশার কোনো কমতি নেই। রাবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষার্থী ডেইলি মিররকে তাঁদের প্রত্যাশার কথা জানান

শাহরিয়ার রাব্বি তন্ময়, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজম্যান্ট: পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রাবিপ্রবি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নানাধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আসছে। রাবিপ্রবি লেক-পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠা দৃষ্টিনন্দন সম্ভাবনাময়ী একটি বিশ্ববিদ্যালয়। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও রাবিপ্রবি দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ন্যায় তার শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে পারছেনা। আমি রাবিপ্রবির একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আশা করছি নতুন বছরে বিগত বছরগুলোর সকল গ্লানি দূর করে রাবিপ্রবি মাথা তুলে দাঁড়াবে এবং সারা দেশব্যাপী এটি তার উপস্থিতির জানান দিবে। আশা করছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গবেষণার প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হবেন এবং দেশের উন্নয়নে কাজ করবেন। বলা হয় রাবিপ্রবিই হয়ে উঠবে দেশের সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন বছরে প্রত্যাশা করি এই বাণীটি যেন সত্যি হয়।

নুরুল আলম,ফিসারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি: বিশ্ববিদ্যালয় হলো আমার কাছে ভালোবাসার উঞ্চ চাঁদরে মোড়ানো একখণ্ড আবেগের নাম। যে আবেগ আমাকে নতুন নতুন করে ভাবতে শেখায়, নতুন কিছু করতে শেখায়, নতুন কিছু গড়তে শেখায় এবং পুরনো কিছু অপূর্ণতাকে নতুন করে পূর্ণতা প্রাপ্তির আকাঙ্খা যোগায়। নতুন বছরে ভার্সিটি নামক এই একখণ্ড আবেগের প্রদীপটা যেন প্রশাসনিক প্রচেষ্টায় শিক্ষক সংকট, শ্রেণিকক্ষ সংকট এবং ল্যাব সংকটসহ সকল অপূর্ণতাকে পূর্ণতায় রুপান্তরিত করে রাঙ্গামাটির গণ্ডি পেরিয়ে সমগ্র বাংলাদেশ এবং বিশ্বে নিজেদের কৃতিত্বের জানান দিতে পারে এটাই হলো নতুন বছরে প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমার একান্ত প্রত্যাশা।

 

রাহনুর রহমান তুষার,ফরেস্টি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সাইন্স: নতুন বছরে রাবিপ্রবির সীমাবদ্ধতা গুলোকে কাটিয়ে উঠে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটিয়ে শিক্ষার্থীরা সু-শিক্ষিত হিসেবে গড়ে উঠুক এবং নিজেদেরকে দেশের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলুক এই প্রত্যাশা রইলো।

 

শাহরিয়ার ইমন,ম্যানেজমেন্ট: সমৃদ্ধি বয়ে আসুক সবার জীবনে।নতুন বছর নতুন কিছু নিয়ে আমাদের মাঝে আবিভূর্ত হয়। আমরা চাই নতুন বছর রাবিপ্রবির ক্যাম্পাসে সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক। সেই সঙ্গে আগামী দিনগুলো সমৃদ্ধি বয়ে আনুক জাতীয় জীবনে। নতুন বছরে দেশের প্রতিটি মানুষের জীবন সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক নতুনভাবে। সরকারের কর্মোদ্দীপনায়, দেশ ও জাতির সুনাম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বিস্তার লাভ করুক। আমরা চাই, সরকার জনগণের প্রত্যাশা, আবেগ ও অনুভূতিকে যথাযথ মূল্যায়ন করে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেবে। দেশ ও জাতির মঙ্গলে সবার ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত দেশপ্রেম জাগ্রত হোক, খুলে যাক সম্ভাবনার নতুন দুয়ার-নতুন বছরে এ প্রত্যাশাই করছি।

সুদেঞ্চা চৌধুরী,ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজম্যান্ট: প্রকৃতির মাঝে এক বিশাল সৃষ্টি আমাদের এই ক্যাম্পাস।পুরাতন কে পিছনে ফেলে অভিজ্ঞতার আলোকে আরও প্রাণবন্ত হোক আমাদের ক্যাম্পাস।জীবনের সফরের মোড়ে মোড়ে পরিবর্তনের ছন্নছায়া, মানুষ মরতে পারে কিন্তু তার অসীম সমৃদ্ধি বদলে আসে, সকালে বিকালে এক নতুন আলোর সূচনা ঘটে।এভাবেই সময় যেতে যেতে আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে পরিবর্তনের ধারা বয়তে থাকে...

পৃথিবীটা প্রকৃতির হোক, রাবিপ্রবির কথা ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।পজিটিভ চিন্তার মাধ্যমে শুরু হোক নতুন বছর, গড়ে উঠুক সুন্দর এক পৃথিবী।

 

নতুন বছরে অধিকাংশ শিক্ষার্থী প্রত্যাশা করেন রাবিপ্রবির প্রস্তাবিত যেই প্রকল্পটি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি সেটি আলোর মুখ দেখবে। তারা এ-ও মনে করেন যে, খুব শীগ্রই স্থায়ী ভবনগুলো নির্মাণ হবে এবং গবেষণা ও শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার মাধ্যমে রাবিপ্রবি দেশ এবং বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।