প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল ইরান। অন্যদিকে ওয়েলস ১-১ গোলে ড্র করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।
আজ ওয়েলস জয় পেলে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার পথে এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে ইরান হারলে বিদায় এক নিশ্চিত হয়ে যাবে। এরই মধ্যে খেলা শুরু হয়েছে। ৯০ মিনিট পরই বলা যাবে ইরান টিকে থাকবে না বিদায় নেবে।
তবে ইরানের অতীত রেকর্ড ভালো। ২০০৬ সালের পর কখনোই তারা বিশ্বকাপে পর পর দুই ম্যাচে হারেনি। আজ ওয়েলসের বিপক্ষে জিতলে বিশ্বকাপ থেকে সবার আগে বিদায় নেওয়াটা ঠেকাতে পারবে পার্সিয়ানরা। তাদের কোচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজে লাগাতে চান ওয়েলসের বিপক্ষে।
ইরানকে অবশ্য সমীহ করছে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপে খেলতে আসা ওয়েলস। যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ইরানের বিপক্ষের ম্যাচটি কঠিন হবে বলে মনে করছেন দলটির মিডফিল্ডার হ্যারি উইলসন।
‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচের ফল তাদের জন্য সত্যিই কঠিন ছিল। ইংল্যান্ড সবসময় কঠিন দল। ইরান এখন একটি উপায় খুঁজবে এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর এবং আমি মনে করি যে সেটা আমাদের বিপক্ষেই হতে যাচ্ছে।
সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষের ম্যাচের চেয়েও এটি কঠিন হবে। তবে আমরা তিন পয়েন্ট পাওয়ার চেষ্টা করবো। আর আমরা যে ফর্মে আছি সেটা কাজে লাগাতে পারলে ফল আমাদের পক্ষে আসবে আশা করি।’
ওয়েলসের বিপক্ষে একবারই খেলেছে ইরান। তাও ৪৪ বছর আগে। ১৯৭৮ সালের সেই প্রীতি ম্যাচে ওয়েলস জিতেছিল ১-০ ব্যবধানে।শক্তিমত্তায় পার্থক্য থাকলেও ফিফা র্যাংকিংয়ে কাছাকাছি দুটি দল, ঊনিশ আর বিশ।





