ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পর গত দুই দিনের বুথফেরত জরিপে, বিজেপিকে নিয়ে যে আভাস দেয়া হয়েছে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই তার উল্টো আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (০৪ জুন) লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না তা বলা যাচ্ছে।
অর্ধেক ভোট গণনা শেষে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২৪১ আসনে, আর প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ৯৯ আসনে। গত নির্বাচনে বিজেপি একাই ৩০৩টি আসন পেয়েছিল। ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজন ২৭২ আসন। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে ৩১ আসনে পিছিয়ে রয়েছে বিজেপি। এ অবস্থায় শরীকদের সঙ্গে নিয়েই চলতে হবে বিজেপিকে।
এনডিএ জোটের শরিকদের প্রধান অন্ধ্র প্রদেশে চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলেগু দেশম, যারা এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে ১৬ আসনে এবং বিহারে মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল-ইউনাইটেড (জেডি–ইউ)। নীতীশ কুমার এ পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন ১৪ আসনে।
এই দুই দল ছাড়া আরও একাধিক এনডিএ শরিকের ওপরে নির্ভর করতে হবে বিজেপিকে। এদের মধ্যে রয়েছে মহারাষ্ট্রের শিবসেনার সিন্ধে গোষ্ঠী, যারা এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে ৬ আসনে, বিহারে লোক জনশক্তি পার্টি এগিয়ে রয়েছে ৫ আসনে এবং উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় লোক দল এগিয়ে রয়েছে তিন আসনে। তবে শুধু এসব দলই নয়, আরও বেশ কিছু দল রয়েছে, যাদের কেউ দুই বা এক আসনে সারা ভারতে এগিয়ে রয়েছে। এদেরও সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে ভবিষ্যতের বিজেপিকে।
সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে অনেক কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নতুন ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে বিজেপিকে। এ ধরনের সমস্যায় তারা গত দুবার পড়েনি। এর ফলে ভারতের রাজনীতির একটা নতুন অধ্যায় সূচিত হবে বলেও মনে করছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ।





