Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
ক্যাম্পাস

প্রিয় মানুষের ঠিকানায় চিঠি পৌঁছে দিবে ইবির 'অভয়ারণ্য'

admin • 22 Jan 2024, 08:20 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
প্রিয় মানুষের ঠিকানায় চিঠি পৌঁছে দিবে ইবির 'অভয়ারণ্য'

প্রিয় মানুষের ঠিকানায় চিঠি লিখে তা কাগজের তৈরি ডাকবাক্সে ফেলে দিলেই কাজ শেষ! পরে তা নির্দিষ্ট ঠিকানায় পৌঁছে দিতে ডাকপিয়নের ভূমিকায় থাকবে অভয়ারণ্য। এছাড়াও শীত বরণে বিভিন্ন আয়োজনের পসরা সাজিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কুহেলিকা উৎসব করছে ক্যাম্পাসের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন 'অভয়ারণ্য’ এবং উৎসবে মেতেছে গোটা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)।

 

সোমবার (২২ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবনের সামনে বটতলায় আয়োজিত তিন’দিন ব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন করেন সংগঠনের উপদেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল। উৎসবটি চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

 

বাঙালির শত বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির বিচিত্র রূপ ফুটে উঠানো হয়েছে এই উৎসবে। বাহারি নামের স্টল যেমন: সাজ পসরা, চা ওয়ালী, খাইলেই পটবে, জিভে জল, বই তরুণী, বুক ভিলেজ, হৈ চৈ হোটেল, আগে এদিকে আসুন, চিঠিবক্স, দ্যা ফ্লাওয়ারস বি’সহ বিভিন্ন ধরণের প্রায় ৩২টি স্টল স্থান পেয়েছে এই 'কুহেলিকা উৎসব'এ।

 

কুহেলিকা উৎসবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় ছিলো প্রিয়জনের উদ্দেশ্যে চিঠিবাক্স। ক্যাম্পাসের যেকোনো শিক্ষার্থীর কাছে এই চিঠি পাঠানো যাবে। পছন্দের কারো কাছে চিঠি পাঠাতে হলে তার নাম, বিভাগ ও সেশন চিঠির খামের ওপর লিখে দিয়ে চিঠিবাক্সে ফেলে দিলে অভয়ারণ্যের সদস্যরা সেই কাঙ্ক্ষিত ব্যাক্তির কাছে পৌঁছে দিবে চিঠি।

 

উৎসব প্রাঙ্গণে ঘুরে দেখা গেলো প্রায় সকল বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি। মেলায় সবাই আসছেন নিজেদের ক্যাম্পাসের উদ্যোক্তাদের থেকে পছন্দসই পোশাক কিনতে, খাবার খেতে, একসাথে ভালো কিছু সময় কাটাতে। এমন উৎসবের আয়োজন শুধুই পণ্যের বেচাকেনা নয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বন্ধুদের মাঝে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কও গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

 

ঘুরতে আসা সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তানিয়া বলেন, একটি সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এতো সুন্দর আয়োজন সত্যিই মনোমুগ্ধকর। এখানে ঘুরে দেখতে, বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা দিতে অনেক ভালো লাগছে।

 

সাজ পসরা স্টলের মালিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২১-২২ বর্ষের শিক্ষার্থী মাসুমা বলেন, অভয়ারণ্যকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি আয়োজন সাজানোর জন্য। আমি এখানে সাজগোজের জিনিসপত্র বিক্রি করছি। এখন পর্যন্ত আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালোই সাড়া পাচ্ছি। আমি চাই এই আয়োজনের ধারা অব্যাহত থাকুক।

 

অভয়ারণ্যের সাধারণ সম্পাদক অর্প বলেন, এই কুহেলিকা উৎসব ক্যাম্পাসের উদ্যাক্তাদের জন্য মাইলফলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কার্যক্রমের দিক থেকে আমাদের কোনো বাউন্ডারি নেই। সামাজিক সংস্কৃতিতে বিশেষ আকর্ষণ হচ্ছে রঞ্জন যেখানে মৌলিক গান, কবিতা আবৃত্তি, নাচ ইত্যাদি থাকবে। এই যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে মৌলিক প্রচারণা যেটা পুরো বাংলাদেশে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

 

সভাপতি ইসতিয়াক ইমন বলেন, এই কুহেলিকা উৎসব সফল করার লক্ষ্যে অভয়ারণ্যের সদস্যদের পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহায়তা করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠন আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। এজন্য আমাদের আয়োজন সুন্দর এবং গুছানো হয়েছে বলে মনে করছি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।