যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি:
ফুল ছিঁড়লেই মস্ত বড়ো ভুল করে ফেলবেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)’র দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের শিক্ষার্থীরা। এমনকি এতে করে হারাতে হতে পারে হলের আবাসিকতা। প্রভোস্ট স্বাক্ষরিত এমন সতর্ক বার্তা সম্বলিত একাধিক প্ল্যাকার্ডের দেখা মেলছে হলটির ফুল বাগানের বিভিন্ন জায়গায়।
সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে হলটির ভেতর বাহিরে গড়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের বাগান। এবার ফুল রক্ষার্থে এমন কড়া সিন্ধান্তে হল প্রশাসন।
সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল স্বাক্ষরিত একাধিক প্ল্যাকার্ডে এমন সতর্ক বার্তা নজরে আসে শিক্ষার্থীদের।
এবিষয়ে আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ নষ্ট করা মোটেও উচিত নয়। হল প্রশাসনের উচিত ছিলো শিক্ষার্থীদের ডেকে সচেতন করা। তারপর ও না মানলে তখন এমন ব্যবস্থা নেয়া উচিত ছিলো।
আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ফুল প্রকৃতির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। কিন্তু আমি একজন যদি ফুল ছেড়া শুরু করি তাহলে আমাকে দেখে আরেকজন উৎসাহিত হবে। এভাবে সবাই যদি ফুল ছিড়তে শুরু করে তবে সৌন্দর্য আর থাকবে না। এদিক বিবেচনায় সিদ্ধান্তটি ঠিক আছে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণভাবে বললে শিক্ষার্থীরা একটি গ্রাহ্য করে না তাই শিক্ষার্থীরা যাতে এটি গুরুত্ব সহকারে মেনে চলে। তবে সিট বাতিল করার বিষয়টি লঘু পাপে গুরু দন্ডের ন্যায়।
সিট বাতিলের বিষয়ে জানতে চাইলে হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল বলেন, সিট বাতিল করা হবে বলা থাকলেও আসলে ব্যাপারটা তেমন নয়। অনেক মেয়েই বিনা কারণে ফুল ছিঁড়ে ফেলে বাগানের সৌন্দর্যকে নষ্ট করছে। শুধু সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই এমন সতর্কতা দেয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতেও এমন করা হয়েছে আমি তো কিছুদিন ধরে দায়িত্বে এসেছি। আমি জানতামনা ব্যানারে এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে যখন জেনেছি তখনই ব্যানারগুলো অপসারণের নির্দেশ দিয়েছি। আমি হলের কর্মকর্তাদের ফুল ছিড়ার ব্যাপারে ব্যানার টাংগাতে বলেছিলাম তারা যে এতোটা কঠোর ভাবে করবে ভাবিনি।





