১৯৮৪ সালের ৩১ শে মে অর্থাৎ এই দিনে পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস এর (তৎকালিন শান্তিবাহিনী) নৃশংস গণহত্যার শিকার হন রাঙামাটির দুর্গম এলাকা ভূষণছড়ার ৪০০ এর অধিক বাঙালি। রাঙামাটি জেলা সদর থেকে নদী পথে ৭৬ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ছোট হরিণা। আরও ৫ কিলোমিটার ভেতরে ছোট্ট জনপদ ভূষণছড়া। প্রায় ৪০ বছর আগে ১৯৮৪ সালের ৩১ শে মে এখানে ঘটে পার্বত্য অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রক্তক্ষয়ী সংঘাত।
বেয়নট দিয়ে খুচিয়ে,দা দিয়ে কুপিয়ে,গলা কেটে, ঘর-বাড়িতে আগুন জালিয়ে হত্যা করা হয় ৪০০ নিরীহ বাঙ্গালিকে। বেঁচে যাওয়া বাসিন্দারা আজও ভুলতে পারেননি নারকীয় তাণ্ডবের ভয়াল সেই স্মৃতি। ভোর ৪টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত হত্যা করা হয় প্রায় ৪০০ এর অধিক বাঙালিকে।
১৯৮৪ সালের ওই ঘটনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে শতাধিক পরিবার। পাহাড় ছেড়ে পালিয়ে যায় ১৬শ’ বাঙালি পরিবার। থেকে যাওয়াদের মাঝে বিরাজ করছে আতঙ্ক।
নজিরবিহীন হত্যাকাণ্ডের পরও কেউ মামলা করেনি ভয়ে। প্রশাসন জিডি করলেও ক্ষতিপূরণ পায়নি ক্ষতিগ্রস্ত কেউ।গণহত্যার মাস্টার প্ল্যান করা জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) চেয়ারম্যান সন্তু লারমাকে আজও বিচারের মুখোমুখি করে নি প্রশাসন। অনেকেই মনে করছেন গণহত্যার বিচার হলে আজকে কুকি-চিন সহ সার্বভৌমত্ব ধ্বংসকারী এতোগুলা সন্ত্রাসী সংগঠন গজিয়ে উঠতো না পাহাড়ে।





