পুরো বিশ্বের আলোচনা এখন একটাই, তা হলো ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি নিহতের ঘটনা। রোববার আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকা জোলফায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে রইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টার। আজ (২০ মে) প্রেসিডেন্ট ও তার বেশ কয়েকজন সহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এরপর থেকে অনেকে নানা মাধ্যমে জানতে চাইছেন, কোথায় রাখা হয়েছে রাইসির মরদেহ? শনাক্তই বা করা গেছে কিনা?
রেডিও তেহরান ঢাকার সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখন মরদেহ তেহরানে এসে পৌঁছায়নি। মরদেহ সহজেই শনাক্ত করা যাবে কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়। কারণ প্রেসিডেন্টসহ তার সহকর্মীরা হেলিকপ্টারের যে কেবিনে ছিলেন, তা পুড়ে গেছে। হেলিকপ্টারটিও বিধ্বস্ত হয়ে গেছে।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, রইসির মৃত্যুর ফলে চলমান ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট ইস্যুতে ইরানের নীতির কোনো পরিবর্তন হবার সম্ভাবনা নেই। তবে, কিছুটা হোঁচট খেতে পারে।





