বিশ্বব্যাপী ঝড় তুলেছে ‘বার্বি’ সিনেমা। হচ্ছে আলোচনা, আছে সমালোচনাও। সমালোচনার মূল কারণ হলো রূপান্তরকামী বা সমকামীর বিষয়টি দেখানো হয়েছে। এ কারণে কুয়েত ও লেবাননে সিনেমাটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রী মোহাম্মদ মোরতাদা দেশটির গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বার্বি’ সিনেমাটি ‘সমকামিতা ও যৌন রূপান্তর’ প্রচার করছে, যা আমাদের বিশ্বাস ও নৈতিকতার পরিপন্থী। কারণ এটি বিকৃতি ও লিঙ্গ রূপান্তরকে উৎসাহিত করে।’'
অন্যদিকে কুয়েতের সিনেমা সেন্সরশিপ কমিটির প্রধান লাফি আল-সুবেই জানিয়েছেন, ‘বার্বি’ কুয়েতি সমাজকে ভুল পথে চালিত করতে পারে।
এমনিতেই যেকোনও বিদেশি চলচ্চিত্রের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় সেন্সর কমিটি। ছবিতে যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে, তা জনসাধারণের নীতি-নৈতিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবের অধিবাসীরা অত্যন্ত রক্ষণশীল। সে কারণে সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ দুটি দেশ ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সৌদি আরবে দেখানো হচ্ছে না ছবিটি। কারণ এসব দেশের অধিবাসীরা অত্যন্ত রক্ষণশীল।
https://youtu.be/pBk4NYhWNMMবিবিসির রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র দুই সপ্তাহেই বক্স অফিসে হাকিয়ে নিয়েছে ১০ হাজার ৭০ কোটি টাকারও বেশি। পরিচালক গ্রেটা গারউইগ জানান, ‘বার্বি’ বিশ্বের বেশ কিছু দেশের নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আবার কিছু দেশে সেন্সরে কাচি চালিয়ে কিছু দৃশ্য ফেলে দিয়ে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সিনেমা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বিশ্বের বেশ কিছু দেশে সিনেমাটি মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা না থাকলে আরও কম সময়ে বিলিয়ন ডলার আয়ের মুখ দেখত ‘বার্বি’।
গত শতকের পঞ্চাশের দশকের জনপ্রিয় পুতুল চরিত্র ‘বার্বি’ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রটি গত ২১ জুলাই বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায়। সিনেমার মূল দুই চরিত্রের মধ্যে ‘বার্বি’র ভূমিকায় মার্গো রবি ও ‘কেন’ চরিত্রে রায়ান গসলিংকে দেখা গেছে।





