Thursday, 5 November 2026
শিরোনাম
লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি নারী গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ডাচ-বাংলার কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
জাতীয়

সনদ জালিয়াতির অভিযোগে লাইসেন্স হারাচ্ছেন বিমানের দুই পাইলট

• • পঠিত 11 বার
শেয়ার করুন:
সনদ জালিয়াতির অভিযোগে লাইসেন্স হারাচ্ছেন বিমানের দুই পাইলট

সনদ জালিয়াতির অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পাইলট সাদিয়া আহমেদ ও আল মেহেদী ইসলামের লাইসেন্স বাতিল করা হচ্ছে। একই সাথে তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

 

বোয়িং-৭৭৭ উড়োজাহাজ চালাতে ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর ৫ বছরের চুক্তিতে ৮ জন ক্যাপ্টেন ও ৬ জন ফার্স্ট অফিসার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান। প্রাথমিকভাবে কয়েকজনকে নির্বাচন করার পর তাঁদের দক্ষতা ও যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

   

তাঁদের মধ্যে ফার্স্ট অফিসার আল মেহেদী ইসলাম জমা দেন এয়ারলাইনস ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্সের (এটিপিএল) জাল সনদ। সেই সনদে তিনি বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি বিভাগের সহকারী পরিচালকের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করেন।

 

অন্যদিকে বিজ্ঞান বিভাগে না পড়েও জাল শিক্ষা সনদ জমা দিয়ে নির্বাচিত হন সাদিয়া আহমেদ। তিনি বিমানের সাবেক চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন সাজিদ আহমেদের স্ত্রী।

   

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেবিচকের চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, ‘তাঁরা সনদ জালিয়াতি করেছেন এটা নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। তাঁদেরকে জরিমানা ও তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

   

এদিকে পাইলটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পেশায় যারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির তাগিদ দিয়েছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, বিমানের পাইলট গুরুত্বপূর্ণ পেশা। এখানে স্বজনপ্রীতির সুযোগ নেই। তাই যারা প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন তাদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

   

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল আলম বলেন, 'জালিয়াতি করে পাইলট পদে চাকরি নিয়ে কিছুদিন চাকরিও করে গেলো। এটা আসলে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ হয়েছে। আর এই অপরাধের শাস্তি হিসিবে শুধু চাকরিচ্যুত করা যাবে না। তাদেরকে ক্রিমিনাল ধারায় এনেও শাস্তি দেওয়া উচিত।'

   

বেসামরিক বিমান চলাচল আইন অনুযায়ী, যদি কোনও ব্যক্তি শিক্ষা সনদ, নিবন্ধন সনদ, লাইসেন্স অথবা পারমিট জাল বা পরিবর্তন করেন বা চেষ্টা করেন, তাহলে অনধিক ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।