Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান এমপি বাবুলের কুমারখালীতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নবীন বরণ, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার
এক্সক্লসিভ জাতীয়

শহীদদের তালিকা স্মৃতিস্তম্ভে লেখার আহ্বান প্রধান বিচারপতির

• • পঠিত 9 বার
শেয়ার করুন:
শহীদদের তালিকা স্মৃতিস্তম্ভে লেখার আহ্বান প্রধান বিচারপতির

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করে স্মৃতিস্তম্ভে লিপিবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

 

মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের বর্ধিত অংশ উদ্বোধন শেষে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

 

প্রধান বিচারপতি বলেন, আজকে স্বাধীনতার যে সুফল আমরা ভোগ করছি, এর পেছনে অনেকের রক্ত-আত্মত্যাগ রয়েছে। কিন্তু তাদের সঠিক তালিকা না থাকাতে স্মরণটুকু আমরা করতে পারি না। তাই শহীদদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন হওয়া উচিত।

 

অনুষ্ঠানে আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী, আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা প্রয়োজন। মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে এই দেশ স্বাধীন করেছেন। আর এখন আমরা সেই স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছি। সেজন্য আমাদের দায়িত্ব হলো মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানা। যাদের ত্যাগ রয়েছে, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।

 

তিনি আরও বলেন, আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন, ১৯৭১ সালে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলায় জাড়ুয়ার বিলে দুই তিন ঘণ্টার ভেতর প্রায় ১২শ লোককে হত্যা করা হয়, এই ইতিহাস কেউ জানে না। সেখানে কোন স্মৃতি সৌধ রয়েছে কি-না, সেটাও আমরা জানি না। অথচ ওইসব শহীদদের রক্তেই আমরা সুফল ভোগ করছি। একইভাবে খুলনার চুকনগরেও একই দিনে প্রায় ১২ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সেখানে না থাকার মতো একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। ওই স্তম্ভে সেদিনের গণহত্যায় নিহত অনেক শহীদেরই নাম নেই।

হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, চুকনগর ও ঝাড়ুয়ার বিলের মতো গণহত্যায় শহীদ হওয়া মানুষদের সঠিক তালিকা তৈরি করতে আমি ইতিহাসবিদ-গবেষকদের প্রতি অনুরোধ করব। আর সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করব- ভালো স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করে সেখানে শহীদদের তালিকা লিপিবদ্ধ করতে।

 

কুষ্টিয়ার নিজের গ্রামের বাড়ির অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি নিজে দেখেছি, আমার বাড়ির পাশে একটি গ্রাম পরে এক জমিদার বাড়িতে পাক আর্মিরা ক্যাম্প করে, তারা যখন চলে যায় সেখানে অনেক লোক মেরে রেখে গেছে। আমি নিজে গিয়ে ৮টি লাশ দেখেছি। কাউকে হত্যা করা হয়েছে, কাউকে গুলি করা হয়েছে। কাউকে জবাই করে রেখে গেছে।

 

প্রধান বিচারপতি বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস জানার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। আমি আমার বিচারপতিদের, কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের অনুরোধ করবো, আপনারা মুক্তিযুদ্ধ কর্নারে এসে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সমৃদ্ধ বই পড়বেন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস জানার চেষ্টা করবেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।