Tuesday, 3 November 2026
শিরোনাম
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি নিজের মোবাইল সিম ছাড়া এনআইডি সংশোধন নয় দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি-অটোগ্যাস,কোন সিলিন্ডার কত? করিমগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ৩ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিল শিশু ফারিহ ভালোবেসে বিয়ে, মাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী বিএসএফ সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটাল গ্রামবাসী, আহত ৩ সেই শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালেন আন্দোলনকারীরা ইসলামি বক্তা ডা.জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া
এক্সক্লসিভ জাতীয়

রেলের আয় বৃদ্ধির জন্য বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে : রেলপথ মন্ত্রী

• • পঠিত 13 বার
শেয়ার করুন:
রেলের আয় বৃদ্ধির জন্য বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে : রেলপথ মন্ত্রী
রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বিদেশীরা যেভাবে রেল থেকে আয় করে থাকে, বাংলাদেশ রেলওয়েও বহুমুখী আয়ের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।  তিনি বলেন, রেলের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ প্রদান রেলের আয় বৃদ্ধি কার্যক্রমের একটি অংশ।  ৩০ আগষ্ট  মঙ্গলবার  রেলভবনে পাঁচটি কোম্পানির সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ের অপটিক্যাল ফাইবার লিজ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রেলপথ মন্ত্রী এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘রেল জনগণের বাহন। জনগণকে জানানোর উদ্দেশ্যে, স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য আমরা প্রকাশ্যে চুক্তি করছি। রেলওয়ে একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এটি ভর্তুকি দিয়ে চলছে। রেলের অনেক সম্পদ রয়েছে। আমরা সেখান থেকে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’ তিনি বলেন, একটি দেশের ভারসাম্যপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য, টেকসই উন্নয়নের জন্য রেল খাতের উন্নয়ন জরুরী। প্রধানমন্ত্রী আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে দেয়ার পরে আমরা সেই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।    তিনি জানান, ৪৭ পরবর্তী সময়ে রেলওয়ের কোন উন্নয়ন হয়নি। স্বাধীনতার সময় রেলখাত বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু রেলকে পুনর্গঠন করেন। ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো রেলের কোন উন্নয়ন করেনি।   ১০ হাজার রেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হ্যান্ডসেকের মাধ্যমে বিদায় করেছে। ভবিষ্যতে রেলের জমিসহ পণ্য পরিবহনের ব্যবহার  বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়নোর বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছি।   উল্লেখ্য,  বাংলাদেশ রেলওয়ের দৈনন্দিন ট্রেন পরিচালনায় টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দুটি স্টেশনের মধ্যে লাইন ক্লিয়ার আদান-প্রদানে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৮৪ সালে রেলের মাধ্যমে অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়।   প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯৯০ সালে ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হলেও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অদ্যাবধি ৩ হাজার ২০৫ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। আজ যাদের সাথে চুক্তি করা হয়েছে, তারা হচ্ছে- বাহন লিঃ, সামিট কমিউনিকেশন লিঃ, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা লিঃ ও ফাইবার হোম লিঃ। পাঁচটি কোম্পানির সাথে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট ১৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।  বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে সকল ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করেন চিফ সিগনাল ও টেলিকম কর্মকর্তা বেনুরঞ্জন সরকার।  বাহন লিমিটেড এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের এমডি সাঈদ সামিউল হক, সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পক্ষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলি মুর্তজা খান। বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের পক্ষে এমডি ও চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার এরিক আস, রবির পক্ষে চিফ টেকনিক্যাল অফিসার পেরিহেম  এলহামি ও ফাইবার লিমিটেডের পক্ষে চীফ মার্কেটিং অফিসার রাজীব আহমেদ সুলতান চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর। এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারসহ রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সুত্র: বাসস  
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।