Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের লিফলেট বিতরণ ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড! মক্কেলের টাকার বিবেচনায় নয়, আইনজীবী হিসেবেই আদালতে দাঁড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত’ বলা সেই হাফিজ এখন জেলা জামায়াতের আমির এপেক্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের প্রেসিডেন্ট রিফাত-সেক্রেটারি সেলিম
এক্সক্লসিভ

রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার!

• • পঠিত 63 বার
শেয়ার করুন:
রাষ্ট্রপতিকে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়তে দেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার!

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত দুই ঈদের নামাজ জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আদায় করতে পারেননি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী তাকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি। কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী ও বিশেষ প্রতিনিধি জয়নাল আবেদীন রাষ্ট্রপতির এই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন।

  রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজে রাষ্ট্রপতি জাতীয় ঈদগাঁহ ময়দানে অংশগ্রহণ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে এই রেওয়াজ চলে আসছে। কিন্তু ড. ইউনূসের সরকার সেই রেওয়াজেও প্রতিবন্ধকতা দিয়েছেন। আমাকে দুটি ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে যেতে দেয়নি।’    রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজে অংশ নেওয়া থেকে বিরত থাকতে অন্তর্বর্তী সরকার নিরাপত্তা বিভাগের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন রাষ্ট্রপতি।
তাঁর ভাষায়, ‘আমাকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আপনি ঈদের নামাজে অংশ নিতে জাতীয় ঈদগাহে যাবেন না।’   কেন তাঁকে ঈদের নামাজে অংশ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রপতি কালের কণ্ঠকে জানান, হয়তো তাঁকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করাই ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। নইলে দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে চলমান একটি রেওয়াজ এভাবে কেন বাধাগ্রস্ত করবেন তারা, এই প্রশ্ন রাষ্ট্রপতির।   রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘মূলত আমি যেন মনস্তাত্ত্বিকভাবে ভেঙে পড়ি, এটাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।
আমি ভেঙে গিয়ে যাতে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করি। এতে তারা অসাংবিধানিকভাবে পছন্দের কাউকে বসাতে পারবে। বসাতে পারলে ওই নির্বাচন বিলম্ব বা নিজেদের ক্ষমতা বেশিদিন ধরে রাখা যেতো। নিজেদের রাষ্ট্রপতি হলে যা ইচ্ছে তাই করা যায়। এই ভাবনা থেকেও তারা ওই ধরনের আচরণ করতে পারে বলে আমার অনুমান। সূত্র :কালের কণ্ঠ
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।