Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি নিজের মোবাইল সিম ছাড়া এনআইডি সংশোধন নয় দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি-অটোগ্যাস,কোন সিলিন্ডার কত? করিমগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ৩ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিল শিশু ফারিহ ভালোবেসে বিয়ে, মাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী বিএসএফ সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটাল গ্রামবাসী, আহত ৩ সেই শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালেন আন্দোলনকারীরা ইসলামি বক্তা ডা.জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া
জাতীয়

মেলেনি জামিন, ফারদিনের বান্ধবী বুশরা কারাগারে

• • পঠিত 11 বার
শেয়ার করুন:
মেলেনি জামিন, ফারদিনের বান্ধবী বুশরা কারাগারে

বুয়েটের শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তার বান্ধবী আমাতুল্লাহ বুশরার জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকার মহানগর হাকিম মো. আতাউল্লাহ জামিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

 

পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে বুশরাকে এদিন আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের খিলগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মজিবুর রহমান আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

অন্যদিকে বুশরার পক্ষে জামিনের আবেদন করেন তার আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত বুশরার জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর ওই আদেশ দেন।

আদালতে বুশরার পক্ষে জামিন শুনানি করেন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইবুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা মোখলেসুর রহমান বাদল, একেএম হাবিবুর রহমান চুন্নুসহ কয়েকজন আইনজীবী।

শুনানিতে আইনজীবী বাদল বলেন, ‘রিমান্ডের আগে ও রিমান্ডে নিয়ে বুশরাকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে গিয়ে ফারদিনের সঙ্গে বুশরার পরিচয়। এর বাইরে তাদের মধ্যে অন্য কোনো সম্পর্ক ছিল না, প্রেমের সম্পর্ক তো নয়ই। যেসব সিসিটিভি ভিডিও এসেছে, সেখানে তো হত্যা বা জোর করে ধরে নেওয়ার কোনো বিষয় পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমের খবর থেকেও বুশরার সম্পৃক্ততার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তার পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্য জামিন জরুরি।’

২৪ বছর বয়সী ফারদিন বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদকও ছিলেন তিনি। পরিবারের সঙ্গে ডেমরার কোনাপাড়ায় থাকতেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। তার বান্ধবী বুশরা পড়েন ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে। রামপুরার বনশ্রীতে তার বাসা। বছর পাঁচেক আগে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ফারদিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় বলে ফারদিনের বাবা কাজী নূরউদ্দিন রানার ভাষ্য।

৪ নভেম্বর ফারদিন নিখোঁজ হওয়ার পর ৭ নভেম্বর বিকালে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের লাশ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানান, ওই তরুণকে ‘হত্যা’ করা হয়েছে।

ফারদিন নিখোঁজ হওয়ার আগে তাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল রামপুরা এলাকায় বুশরার সঙ্গে। সে কারণে রামপুরা থানাতেই একটি জিডি করেছিলেন ফারদিনের বাবা। ছেলের লাশ পাওয়ার দুদিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় বুশরাকে একমাত্র আসামি করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, বুশরাকে তারা ওই মামলায় গ্রেপ্তার করেছেন। পরে ওই তরুণীকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।