Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, পরে মিলল পিংকির নিথর দেহ বিনামূল্যে ওমরাহর সুযোগ দিচ্ছে সৌদি আরব, আবেদন করবেন যেভাবে থ্রিডি ম্যাপে ট্রেনের লাইভ অবস্থান দেখাচ্ছে ‘ট্রেন কোথায়’, যেভাবে দেখবেন আপনাদের পয়সা না দিলে শ্রমিকদের ৩০ না ৪০ হাজার টাকা বেতন দিতে পারতাম দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ এবার দেবীগঞ্জে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিতে মিলল ধারালো ব্লেড! মক্কেলের টাকার বিবেচনায় নয়, আইনজীবী হিসেবেই আদালতে দাঁড়াতে হবে: আইনমন্ত্রী ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত’ বলা সেই হাফিজ এখন জেলা জামায়াতের আমির এপেক্স ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউনের প্রেসিডেন্ট রিফাত-সেক্রেটারি সেলিম ঢাবি শিক্ষার্থীকে ১ টাকা জরিমানা, জমা দিতে যেতে হয় ব্যাংকে
জেলার খবর

ভোটগ্রহণ বন্ধ রেখে মধ্যাহভোজে কর্মকর্তারা, বিলম্ব হওয়ায় ভোটারদের ক্ষোভ

• • পঠিত 10 বার
শেয়ার করুন:
ভোটগ্রহণ বন্ধ রেখে মধ্যাহভোজে কর্মকর্তারা, বিলম্ব হওয়ায় ভোটারদের ক্ষোভ

জামালপুরের মেলান্দহ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলাকালীন দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটে দিকে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দুপুরের খাবার খেতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্রিজাইডিং, পোলিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের লোকজন। এতে ভোট দিতে আসা কয়েকজন মহিলা ভোটার ভোট দিতে বিলম্ব হওয়ায় রোদের মধ্যে দাড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

রোববার (৩০ জুলাই) মেলান্দহ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের শাহজাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়।

ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, দুপুর ১ টা ১৫ মিনিটের দিকে ভোটকেন্দ্রের ভিতরে একটি অটোরিকশা দিয়ে খাবার আসে। এ সময় প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের কিছু সদস্য খাবারগুলো সংগ্রহ করেন। পরে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে মধ্যাহভোজ শুরু করেন তারা। এ সময় ভোটারদের ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। খাওয়া শেষে দুপুর ২টার দিকে ভোটগ্রহণ আবার শুরু হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ১ টা ১৪ মিনিটের দিকে ভোটকেন্দ্রে অটোরিকশা করে খাবার পাঠিয়ে দেন এল কাউন্সিলর প্রার্থী। কিন্তু খাবারের প্যাকেটের ঘাটতি হওয়ায় পরে আবার খাবার নিয়ে আসেন ওই প্রার্থী।

লিপি আক্তার নামের ভোটার অভিযোগ করে বলেন, এখানে ওনারা যা করছে, সবাই খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত। ভোটাররা এখানে রোদের মধ্যে বসে আছে, কেউ ভোট দিতে পারছে না। নিয়ম হলো দুইজন ভোট নিবে, দুইজন খেতে যাবে। এখানে সবাই একসঙ্গে খেতে গেছে। এখন ভোটারেরা সবাই অপেক্ষা করছে।

এবিষয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে খাবার খাওয়ার নিয়ম আছে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপনিও মানুষ আমিও মানুষ। সারাদিন কাজ করার পর তো আমাদের শরীরেরও চাহিদা থাকে। ভোটগ্রহণ একবারে তো বন্ধ হয়নি। ভোট গ্রহণ চলছে।

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক বলেন, পর্যায়ক্রমে সবাই খাবে ও নামাজ পড়বে। তবে ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকতে পারে না।

পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো.আমজাদ হোসেন (টেবিল ল্যাম্প), মো. নজরুল ইসলাম খান (উটপাখি), মো. মহির উদ্দিন (পানির বোতল) প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার ছিলো ২৫২১ জন।

মোট ভোট পড়ে ১৭৫৬ টি। এতে ৭৪৮ ভোট পেয়ে উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।