Friday, 6 November 2026
শিরোনাম
শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান এমপি বাবুলের কুমারখালীতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাহানারা লতিফ মহিলা কলেজে নবীন বরণ, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অবশেষে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো লুঙ্গিতে মোড়ানো সেই নবজাতকের ঠাঁই হলো রাজশাহীর ‘ছোটমণি নিবাসে’ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার
এক্সক্লসিভ জাতীয়

ফের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ

• • পঠিত 11 বার
শেয়ার করুন:
ফের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ

কারিগরি সমস্যার কারণে আবারও বন্ধ হয়ে গেছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। গতকাল রোববার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্ল্যান্ডফিল লিকেজ হওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ট্রিপ করে যায়। এর জেরে গতকাল দুপুর ১টা ২০ থেকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ আছে।

বন্ধ হওয়ার আগে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬৬০ মেগাওয়াট প্রথম ইউনিট গড়ে ৩০০–৩২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের আজকের বিদ্যুৎ উৎপাদনের তথ্য মতে, বাংলাদেশ ভারতের অর্থায়নে নির্মিত এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে ৩২০ মেগাওয়াট।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বন্ধের ব্যাপারে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য (উৎপাদন) এস এম ওয়াজেদ আলী সরদার বলেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন গতকাল থেকে বন্ধ আছে। এখন কারিগরি সমস্যা সরানোর কাজ চলছে। আশা করি দুই–তিন দিনের মধ্যে আবারও উৎপাদনে ফিরতে পারবে রামপাল।

রামপাল বন্ধের জেরে বেড়েছে লোডশেডিংও। বিপিডিবি সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর বারটায় সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা চিল ১৩ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট। তার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১২ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ছিল ৮০০ মেগাওয়াট। রাতে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে এবং ১৪ হাজার মেগাওয়াট চাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। একই সঙ্গে বাড়বে লোডশেডিংও।

এর আগে গত ৩০ জুন রাত ৮টা ৪৬ মিনিটে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইলেকট্রিক্যাল জেনারেটর ইউনিট প্রোটেকশনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ ছিল। ১০ দিন বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকার পর গত ১০ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় পুনরায় উৎপাদনে ফেরে। ইলেকট্রিক্যাল জেনারেটর ইউনিট প্রোটেকশনে ত্রুটি সারিয়ে ১০ জুলাই উৎপাদনে আসার চার দিনের মাথায় ১৩ জুলাই রাত ১০টা ২৯ মিনিটে কারিগরি সমস্যার কারণে আবারও রামপাল ট্রিপ করে যায়। এর জেরে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল প্রায় ৯ ঘণ্টা।

ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট আছে, যার প্রতিটি ৬৬০ মেগাওয়াটের। দুটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ইউনিটটি গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে। ৬৬০ মেগাওয়াটের দ্বিতীয় ইউনিট এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসেনি। জানা গেছে, আগামী সেপ্টেম্বরের দিকে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে পারে।

বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি প্রথম দফায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় কয়লাসংকটে পড়ে। মূলত, ডলারের সংকটে ঋণপত্র খুলতে না পারার জেরে কয়লার মজুত শেষ হয়ে গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। কয়লাসংকটের কারণে এরপর গত ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় উৎপাদন বন্ধ ছিল এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে। ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আসার পর গত ১৭ মে এই কেন্দ্রে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। কয়লা সংকট আপাতত দুর হলেও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি কারিগরি সমস্যার কারণে এই নিয়ে কমপক্ষে চারবার বন্ধ হয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার কারণে।

এই কারিগরি সমস্যার মধ্যে আছে বয়লার টিউব ফেটে যাওয়া, কুলিং হিটারে ছিদ্র দেখা দেওয়া। আজ বন্ধ হয়েছে গ্ল্যান্ডফিল লিকেজের কারণে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।