Thursday, 5 November 2026
শিরোনাম
সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি নারী গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ডাচ-বাংলার কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম মার্কিন সিনেটর আব্দুল আল-সায়িদ
জেলার খবর

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও পরিবীক্ষণ কমিটির ৭ম বৈঠক অনুষ্ঠিত

• • পঠিত 15 বার
শেয়ার করুন:
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও পরিবীক্ষণ কমিটির ৭ম বৈঠক অনুষ্ঠিত

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি ও পরিবীক্ষণ কমিটির ৭ম বৈঠক বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুপুর ৩ টায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা গ্রান্ড হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসানাত এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধপ্রিয় লারমা সন্তু লারমা সহ অন্যান্য নেতৃবিন্দরা

 

বৈঠক শেষে চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং সাংবাদিকদের বলেন, শুধু যে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে সেটা কিন্তু না। এগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দেখছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষায় সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

এসময় আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ ও জ্যোতিরিন্দ্র বোধপ্রিয় লারমা সন্তু লারমা বলেছেন, ভূমি কমিশন ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতিসহ পার্বত্য শান্তিচুক্তির যে বিষয়গুলো এখনও বাস্তবায়িত হয়নি সে সব নিয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয়েছে, আমরা বিশ্বাসী এর মাধ্যমে পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে।

এ সময় তারা আরও বলেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের যে কমিটি আছে তার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আমরা লক্ষ্যের দিক পৌঁছাচ্ছি।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শান্তি চুক্তি ও পরিবীক্ষণ কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোসাম্মৎ হামিদা বেগম, পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা), কমিটির সদস্য ভারত প্রত্যাগত উপজাতীয় শরনার্থী প্রত্যাবর্তন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন সম্পর্কিত টাস্কফোর্স এর চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম কুমার চাকমা, খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার এমপি, মিসেস বাসন্তী চাকমা এমপি, সাবেক মূখ্য সচিব ও রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্লেক্ষ্য ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কিন্ত চুক্তির পরের সময়টুকু চাঁদাবাজি, হত্যা,গুম,খুন ইত্যাদি আরো বেড়ে যায়। চুক্তির আগে শুধুমাত্র একটু সসস্ত্র সংঘঠন থাকলেও চুক্তির পরে ৪-৫ টি সসস্ত্র সংঘঠন নতুন করে সৃষ্টি হয়েছে এবং জেএসএস তাদের অস্ত্র মজুদ বাড়িয়েছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।