রেলপথ মন্ত্রী ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপির পরিবার প্রায় ৭০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করেছেন। মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রেখেছেন এই পরিবার।
রেলপথ মন্ত্রী ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপির পরিবার পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির পরিবার । এই সম্ভ্রান্ত পরিবারটি আওয়ামী লীগের রাজনীতির পরিবার। এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি সুসংগঠিত ও মজবুত করতে এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহন সহ মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করতে এই পরিবারের অবদান অনেক।
আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলের অস্তিত্ব ধরে রাখতে এই পরিবারের সদস্যগণ অগ্রনী ভুমিকা পালন করেছেন। মন্ত্রী মহোদয়ের বড় ভাই সাবেক এমপি.বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত নেতা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পঞ্চগড় জেলার গ্রামীণ হাট-বাজার গুলোতে ঘুরে ঘুরে,দলে নেতা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ ও সুসংগঠিত করে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে মজবুত ও শক্তিশালি করেছেন। তিনি সাধারণ মানুষের পাশে ছিলেন।
তিনি এলাকার অসহায় গবীর দুঃখি সাধারণ মানুষকে সহায়তাও করে গেছেন। কাউকে হালের গরু.কাউকে দুধের গাভি,কাউকে ছাগল পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বি করে চলার জন্য সহায়তা করেছেন। আর্থিক ভাবেও সহায়তা করেছেন অনেককে। কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হলে গর্জে উঠেছেন তিনি। বিনা পয়সায় তাদের পক্ষে আদালতে লড়েছেন তিনি। উত্তরাঞ্চলের এই বর্ষিয়ান আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম দিনাজপুর জেলা ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন,তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম আন্তর্জাতিক সম্পাদক ছিলেন।
মৃত্যুর আগ মুর্হুত পর্যন্ত পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। দলের বিভিন্ন পদে গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ৬/ক সেক্টরের বেসামরিক উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি ৫২ এর ভাষা আন্দোলন,৬২’র শিক্ষা আন্দোলন,৬৬ ছয় দফা এবং সর্বোপরি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি চার বারের নির্বাচিত এমপি ছিলেন।
তিনি শুধু দিয়েই গেছেন,এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন,আওয়ামী লীগের এই সংগঠনটি আগলে রেখেছেন। রেলপথ মন্ত্রী ও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ১৯৮০-৮১ সালের সংসদের বিজ্ঞান মিলনায়তন সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ছিলেন।
তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রীয় যুব লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিরেন। তাঁর বড় ভাইয়ের সাথে থেকে এই এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন। সংগঠন কে মজবুত করতে কাজ করেছেন। করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ ও দলের নেতা কর্মীদের পাশি ছিলেন এখনও আছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে গিয়ে তাঁর বড় ভাইয়ের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সুসংগঠিত করেছেন। ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে শরনার্থীদের খোজ-খবর নিয়েছেন।
বর্তমানে তিনি পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবং আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পঞ্চগড়-২ আসন (বোদ-দেবীগঞ্জ) থেকে তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অত্যন্ত সততা ও দক্ষতার সাথে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোন দূনীতির অভিযোগ নেই।
এবারে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ইতিমধ্যে সফল মন্ত্রী হিসেবে তিনি সুনাম অর্জন করেছেন। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ঠিক ভাবে পালন করার পাশাপাশি ঢাকা থেকে প্রায় প্রতি সপ্তাহে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ( বোদা-দেবীগঞ্জ) সহ পঞ্চগড় এসে নিজ বাসভবনে অবস্থান করে দলের বিভিন্ন কর্মসুচিতে অংশ গ্রহন,তৃর্ণমুল থেকে শুরু করে দলের সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সাথে বৈঠক করে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার কাজ করে যাচ্ছেন।
সব সময় দলের নেতা কর্মী ও এলাকার মানুষের পাশে আছেন। তাদের দুঃখ-সুখে তাদের সাথে আছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে,আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার নিদের্শনা বাস্তবায়নে সততা ও দক্ষতার সাথে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর পরিবারের সকল সদস্য পারিবারিক ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। আওয়ামী লীগ ঘরোনা মুক্তিযোদ্ধার এই পরিবারটি পঞ্চাশের দশক থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। জাতির পিতা বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর সাথে এই পরিবারের রাজনীতির সম্পৃক্ততা।
রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন এমপি মহোদয়ের ছেলে ব্যারিস্টার কৌশিক নাহিয়ান নাবিদ ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে আছেন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় যুব লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। যুব লীগকে সুসংগঠিত করতে কেন্দ্রীয় নেতৃ বৃন্দদের সাথে সারা দেশে ছুটে বেড়াচ্ছেন। পঞ্চগড়ের যুব লীগকে মজবুত ও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
যুব সমাজটিকে তিনি সুসংগঠিত করেছেন। তার পিতার মত সাধারণ মানুষের ক্ষেতমত করছেন। তিনি এবারে পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সহ সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন এবারে পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সাথে রাজনীতি করেছেন।
রেলপথ মন্ত্রীর এপিএস,বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.রাসেদ প্রধান এবারও পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনিও ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। রাসেদ প্রধান বীর মু





