Thursday, 5 November 2026
শিরোনাম
সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব নিম্নতম মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী কলেজের শ্রেনীকক্ষে তালা,মাঠজুড়ে পশুর হাট ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অধ্যাপকের প্রাণীর সঙ্গে যৌন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ,সত্যতা কতটা? স্কুলশিক্ষার্থীদের কাছে ই-সিগারেট বিক্রির অভিযোগ, কুয়েতে ৫ বাংলাদেশী গ্রেপ্তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধ, সুনামগঞ্জে দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫ ১৭৪ ফ্লাইট বাতিল, শনিবার থেকে চলবে দাম্মাম ফ্লাইট চুরি ঠেকাতে ২০০ কেজির ওয়েস্ট বিন, দক্ষিণ সিটিতে বসানো হলো ৬০০টি নারী গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ: ডাচ-বাংলার কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম মার্কিন সিনেটর আব্দুল আল-সায়িদ
জেলার খবর

ডেলিভারিতে আয়া-নার্সদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
ডেলিভারিতে আয়া-নার্সদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে প্রসূতির নরমাল ডেলিভারির সময় নার্সদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। অবস্থা বেগতিক দেখে ডেলিভারি শেষ না করে অপারেশন থিয়েটারে মা-শিশুকে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত নার্স ও আয়ারা। পরে অপারেশন থিয়েটারে গিয়ে প্রসূতির স্বজনরা দেখেন নবজাতকের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।

 

প্রসূতির স্বামী কুষ্টিয়া শহরতলীর মোল্লা তেঘড়িয়ার মোল্লাপাড়া এলাকার আমিরুল মুল্লিক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে স্ত্রীর প্রসব ব্যথা ওঠে। অবস্থা খারাপ দেখে তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে হাসপাতালের নার্সরা রোগী দেখে জানান নরমাল ডেলিভারিতে সন্তান হবে।

   

এরপর তাঁরা বিভিন্ন ওষুধ খাইয়ে নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রসূতির ও নবজাতকের শরীরের বিভিন্ন অংশ ধরে ‘টেনে-হিঁচড়ে’ডেলিভারি করাতে থাকেন আয়া ও নার্সরা। সেসময় সেখানে কোনো ডাক্তার ছিলেন না। বার বার সিজার অপারেশনের কথা বললে আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন নার্সরা।

 

তিনি আরও বলেন, কিছুক্ষণ পর এক নার্স এসে বলেন আপনার বাচ্চা আর বেঁচে নেই। ভেতরে গিয়ে দেখি নবজাতকের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন। তখন তাদের অবহেলায় বাচ্চার মৃত্যু হয়েছে বললে হাসপাতালে কর্মরত নার্স-আয়ারা আমার সাথে তর্কবিতর্ক শুরু করে। আমি চিকিৎসক নামে কলঙ্ক এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

   

প্রসূতির শাশুড়ি শেফালী খাতুন বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় নার্স ও আয়ারা মিলে টেনে-হিঁচড়ে বাচ্চা বের করার চেষ্টা করেন। এতে আমার ছেলের বউয়ের বাচ্চা মারা যায়। আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।

এ ব্যাপারে হাসপাতালে কতব্যরত নার্সরা বলেন, ওই সময় আমাদের ডিউটি ছিল না। কি হয়েছে এটিও সঠিকভাবে বলতে পাচ্ছি না। তবে নরমাল ডেলিভারির সময় সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ছিল না। সেখানে নার্সরা ছিলেন। এর বেশিকিছু বলতে পারবো না।

 

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও)হোসেন ইমামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।