রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের ঘটনা নাশকতা কিনা তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এ সময় আগুনে হতাহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
এদিকে, ট্রেনে আগুনের ঘটনায় ৭ সদস্যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এ ঘটনায় বেনাপোল এক্সপ্রেসের চলাচল সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। কয়েকজন দগ্ধসহ এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শতাধিক যাত্রী। তাদের বেশিরভাগ ভারতফেরত।
দগ্ধদের নেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। এছাড়া অন্যান্য হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছে অনেককে। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
যশোরের বেনাপোল থেকে শুক্রবার দুপুর ১টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে বেনাপোল এক্সপ্রেস। কমলাপুরে ঢাকা রেলস্টেশনে পৌঁছানোর ঠিক আগে, গোপীবাগে ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি যোগ দেয় র্যাব-পুলিশ-আনসার ও বিজিবি।
ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘কমলাপুরের গোপীবাগ এলাকায় বেনাপোল এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট রওনা হয়। পর্যায়ক্রমে ৮টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ওই এক্সপ্রেস ট্রেনটির ৪টি বগিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বেনাপোল থেকে ঢাকায় যাত্রী নিয়ে ফিরছিল ট্রেনটি।’





