ক্যাম্পাস
জাতীয়
জবিসহ তিন কেন্দ্রে পরীক্ষা দেয়নি ১৪৯৪ পরীক্ষার্থী
admin
• 20 Aug 2022, 04:23 PM
• পঠিত 0 বার
গুচ্ছভুক্ত দেশের ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অন্যান্য কেন্দ্রের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মোট ৩টি কেন্দ্রেও সুষ্ঠুভাবে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
কেন্দ্রগুলোতে ১৭ হাজার ৪৫ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৪৯৪ জন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম মোস্তফা।
এই অধ্যাপক জানিয়েছেন, জবির অধীনে ৩টি কেন্দ্রে ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৭ হাজার ৪৫ জন পরীক্ষার্থী। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৪৯৪ জন। কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যেই সি ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ করতে পারবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
জবি ক্যাম্পাস ছাড়াও উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ এই তিনটি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৩টি কেন্দ্রে মোট ১৮ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থীর আসন সাজানো হয়েছিল।
সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংকালে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক জানান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা শুরু থেকেই অভিযোগ করে এসেছিল যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নিতে চাইলেও প্রশ্ন পুরো সিলেবাস থেকে করা হয়েছে। প্রশ্নপত্রে অনেক কম জায়গায় বেশি প্রশ্ন করা হয়েছে।
তিনি প্রশ্ন সম্পূর্ণ সিলেবাসে হওয়ার বিষয়ে বলেন, প্রশ্নপত্র যদি এতোই খারাপ হতো তবে ৫৬% শিক্ষার্থী পাস করতে পারত না। আর ৮৭ নম্বর পেয়ে প্রথম হতো না। আমাদের কাছে কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ করেনি, দেখা যায় অভিভাবকরা এই বিষয়ে বেশি অভিযোগ করছে। আমরা যদি প্রশ্ন দুইপেজে করি তবে আমাদের প্রশ্ন ভাজ করার জন্য আরও বেশি লোকের প্রয়োজন হতো। লোকজন যত বেশি হবে প্রশ্নফাঁস হওয়ার সুযোগ তত বাড়বে। এ বছরে কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁস বা অনিয়মের কোনো অভিযোগ নেই।
তিনি জানান, যতদ্রুত সম্ভব ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং জানুয়ারির মাঝেই পাঠদান শুরু করা হবে। আমরা মিটিং করে দ্রুতই পরবর্তী প্রক্রিয়া নির্ধারণ করব৷ এবার শিক্ষার্থীদের মেধাস্কোর না দেয়া হলেও কোনো রেঞ্জের নাম্বার কতজন পেয়েছে সেটি প্রকাশ করা হয়েছে। এতে তাদের বুঝতে সুবিধা হবে কোথায় তারা ভর্তি হতে পারবে।
পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহ পর্যবেক্ষণ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং গুচ্ছ টেকনিক্যাল ইউনিটের সভাপতি অধ্যাপক ড. নাছিম আখতার। আরও উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই এ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হয় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। এরপর ১৩ আগস্ট বি ইউনিট ও আজ ২০ আগস্ট সি ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে শেষ হলো গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা।
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।





