ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আল-ইসরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা জানায়, শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) ইসরায়েলি বোমা হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ফিলিস্তিনের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় পক্ষ থেকে হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করার অর্থ হলো পুরো ফিলিস্তিনি জাতীর মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার চেষ্টা। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা সম্পূর্ণরূপে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইনের লঙ্ঘন।
ইসরায়েলি বাহিনী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ক্যাম্পাস দখল করার পর আল-ইসরা ইউনিভার্সিটিতে ৩১৫ টি মাইন দিয়ে বোমা হামলা করা হয়। গাজা উপত্যকার সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ধ্বংস করে দিয়েছে।
মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই হামলার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর, ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিও প্রসঙ্গে ইসরায়েলের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে আমেরিকা। যদিও এই হামলা প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করেননি আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র ডেভিড মিলার।
যে ভিডিওটি প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, একটি বহুতলের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। হামলার আগে ড্রোনের মাধ্যমে সেটির ভিডিও করা হয়। তার পরই বিশাল একটা আগুনের গোলা উঠতে দেখা গেল। পরে মুহূর্তে ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারপাশ।
গাজার উত্তর প্রান্তে অনেক আগেই ইসরায়েল বাহিনী দখলে চলে গেছে। এ বার তারা গাজার দক্ষিণ প্রান্তেও ঢুকতে শুরু করেছে। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাড়িতে বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালাচ্ছে ইসরায়েল বাহিনী। তাদের সন্দেহ, উত্তর গাজা থেকে পালিয়ে হামাস বাহিনীর সদস্যরা দক্ষিণ গাজায় আশ্রয় নিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাদের দাবি, এই অঞ্চলে হামাসের বেশ কয়েকটি ঘাটির হদিস পেয়েছে তারা। আর সেখান থেকে হামাসকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে ফেলার হবে।





