Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
বিনামূল্যে এক কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রক্তদানে উদ্দুদ্ধ করতে জামালপুরে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় মনের মানুষের খোঁজে ‘সিঙ্গেলরা’ বিনামূল্যে যেতে পারবেন ফিনল্যান্ড; আবেদন যেভাবে শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক নাশকতার মামলায় বাদীকে আদালত চত্বরে মারধর, অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠালেন আদালত জানুয়ারিতে বকেয়া বেতন পাবেন পোশাকশ্রমিকরা ‘আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হ'ত্যা করব’ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী আমি যখন বলব যুদ্ধ শেষ, তখনই যুদ্ধ শেষ হবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রি-পেইড মিটারে রিচার্জ নিয়ে গ্রাহকদের জরুরি নির্দেশনা
এক্সক্লসিভ

ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে পিআইওর ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

• • পঠিত 15 বার
শেয়ার করুন:
ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে পিআইওর ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ শতাংশ কমিশন বা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পক্ষে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের সঙ্গে অর্থ লেনদেন ও কমিশন নির্ধারণ সংক্রান্ত প্রায় ৪ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, বাবুল চন্দ্র রায় কয়েকটি প্রকল্পের বরাদ্দের পরিমাণ ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১৫ শতাংশ কমিশনের অঙ্ক নির্ধারণ করছেন। এক পর্যায়ে তিনি এক ইউপি সদস্যকে বলেন, “৩২ হাজার টাকা করে ৮ টন গম হলে মোট ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। এর ১৫ শতাংশ দিলে ৩৮ হাজার টাকা হয়।”

 

জবাবে ওই সদস্য বলেন, “স্যার, ৩৮ হাজার টাকা একটু কম করে নেন। কাজেও তেমন লাভ হয়নি।” তখন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলেন, “মেম্বারদের কোনো দিন লাভ হয় না। আমি এতদিন পিআইও হিসেবে কাজ করছি, কোনো মেম্বারকে বলতে শুনিনি যে তার লাভ হয়েছে।”

 

ভিডিওর আরেক অংশে একজন ব্যক্তি একটি টিআর প্রকল্পের বরাদ্দ ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করলে পিআইও ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ২৪ হাজার টাকা কমিশনের কথা বলেন। ওই সদস্য শতভাগ কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানালে বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, “আগে আপনাদের পরিষদে আসতে দেয়নি, এরপর থেকে আপনারাও আসতে দেবেন না, শোধবোধ।”

 

এছাড়া আরেকটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রকল্পের বিপরীতে ১৮ হাজার টাকা এবং একাধিক প্রকল্প মিলিয়ে অন্য একজনের কাছে ৫৬ হাজার টাকা দাবি করার কথাও ভিডিওতে শোনা যায়। ভিডিওর শেষদিকে কয়েকজনকে টাকা গুনতে এবং ফাইলের সামনে অর্থ রাখতে দেখা যায়।

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র রায় বলেন, “ওরা কাজ না করেই বিল নিতে এসেছিল। সে কারণেই এ ধরনের কথা হয়েছে।”

 

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, “বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।