কোস্টারিকাকে দাপটের সঙ্গে উড়িয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল স্পেন। দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে বুধবার ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে ৭-০ গোলে জিতেছে স্পেন। বিশ্বকাপে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়।
১৯৯৮ সালে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে ৬-১ ব্যবধানে জিতেছিল তারা। সেই রেকর্ড ভেঙে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ৭ গোল দিল স্পেন।
জোড়া গোল করেন ফেররান টরেস। একটি করে দানি ওলমো, মার্কো আসেনসিও, গাভি, কার্লোস সলের ও মোরাতা।
প্রথম মিনিট থেকে যেন ঝাঁপিয়ে পড়ে স্পেন। পঞ্চম মিনিটে পেয়ে গেল প্রথম ভালো সুযোগ। পেদ্রির কাছ থেকে বল পেয়ে দূরের পোস্টে একটুর জন্য শট লক্ষ্যে রাখতে পারলেন না অরক্ষিত ওলমো। নবম মিনিটে সুযোগ তৈরি করলেন পেদ্রি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারলেন না আসেনসিও। রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের শট বেরিয়ে গেল বার ঘেঁষে।
এর দুই মিনিট পর ফুরাল গোলের অপেক্ষা। ডি-বক্সের একটু বাইরে থেকে চমৎকার চিপে গাভি খুঁজে নিলেন ওলমোকে। প্রথম স্পর্শে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, এগিয়ে আসা গোলরক্ষক কেইলর নাভাসকে এড়িয়ে জাল খুঁজে নিলেন তিনি।
শততম গোলের পর আরেকটির জন্যও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হলো না। ২১তম মিনিটে স্কোরলাইন ২-০ করে ফেলল স্পেন।
মাঝমাঠ থেকে বাঁদিকে বল পেলেন অরক্ষিত জর্দি আলবা। বার্সেলোনা ডিফেন্ডার পেলেন অনেক সময়। দেখেশুনে ডি-বক্সে খুঁজে নিলেন আসেনসিওকে। তার শটে হাত ছোঁয়ালেও জালে যাওয়া ঠেকাতে পারেননি কোস্টা রিকা গোলরক্ষক।
৩১তম মিনিটে সফল স্পট কিকে দলের তৃতীয় গোলটি করেন টরেস। নাভাসকে অন্য দিকে পাঠিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় জাল খুঁজে নেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড। আলবা ফাউলের শিকার হওয়ায় পেনাল্টি পেয়েছিল স্পেন।
প্রথমার্ধের বাকি সময়ে চাপ ধরে রাখে ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। তবে আর জালের দেখা পায়নি তারা।
৫৩ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পান টরেস। ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। গাবির কাটব্যাক খুঁজে নেয় টরেসকে। কোস্টারিকার ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে টরেস খুব কাছে থেকে গোলে শট নেন। খুব কাছে থাকা নাভাদের কিছু করার ছিল না। জাতীয় দলের জার্সিতে টরেসের এটি ১৫তম গোল। ব্যবধান ৫-০ করেন গাবি।
বাঁ দিক থেকে উলিয়ামস শট নিলে সামনে এসে রুখে দেন নাভাস। কিন্তু বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। ডি বক্সে দৌড়ে এসে ৯০ মিনিটে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন সোলার। ৬-০ গোলে এগিয়ে স্পেন।
আর একেবারে শেষের দিকে গোলের দেখা পেলেন মোরাতা। যোগ করা সময়ের ২ মিনিটে ওলমোর সহায়তায় গোল করেন মোরাতা। ৭-০ গোলে জিতে যায় স্পেন।





