Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি নিজের মোবাইল সিম ছাড়া এনআইডি সংশোধন নয় দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি-অটোগ্যাস,কোন সিলিন্ডার কত? করিমগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ৩ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিল শিশু ফারিহ ভালোবেসে বিয়ে, মাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী বিএসএফ সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটাল গ্রামবাসী, আহত ৩ সেই শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালেন আন্দোলনকারীরা ইসলামি বক্তা ডা.জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া
ক্যাম্পাস

ইবির এক পরিক্ষা কক্ষে দেখা মেলেনি কোন শিক্ষকের

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
ইবির এক পরিক্ষা কক্ষে দেখা মেলেনি কোন শিক্ষকের

যায়িদ বিন ফিরোজ, ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গুচ্ছের এ ইউনিট ২০২৩-২৪ ২০২৩-২৪ (স্নাতক) শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় পরিক্ষা চলাকালে একটি কক্ষে দেখা মেলেনি কোন শিক্ষকের। কেন্দ্রে শিক্ষক বিহীন কক্ষে পরীক্ষা গ্রহণ করেছে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় ড. ওয়াজেদ আলী ভবনের ২০১ নম্বর কক্ষে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ড. ওয়াজেদ আলী ভবনের ২০১, ২০২ ও ২০৩ নম্বর কক্ষের জন্য দায়িত্বরত শিক্ষক ছিলেন মাত্র ২ জন। তবে ২০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা চলাকালীন ছিলো না কোনো শিক্ষক। উক্ত রুমে পরীক্ষা চলাকালীন ডিউটি দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রারগণ।

প্রধান পরিদর্শক মো: তহিদুর রহমানের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১ নম্বর কক্ষে কোনো শিক্ষক নেই। তাই ২০১, ২০২ ও ২০৩ নম্বর কক্ষের প্রধান পরিদর্শক হিসেবে উপ-রেজিস্ট্রারদের সহায়তায় তিনি ২০১ নম্বর রুমে পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন।

এ বিষয়ে ইউনিট সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মো: মনজুরুল হক বলেন, পরীক্ষার কক্ষে শিক্ষক ছিলো কি-না তা ফাইল দেখে বলতে হবে। পরীক্ষায় যে শুধুমাত্র শিক্ষক দায়িত্ব পালন করেছে তা নয় বরং যতো কর্মকর্তা সবাই পরিদর্শক। সুতরাং তাদেরও পরিদর্শকের সমমর্যাদা। প্রধান পরিদর্শক সব দেখভাল করবে। কারণ আমাদের যতোসংখ্যক শিক্ষক সবাইকে প্রত্যেক রুমে দায়িত্ব দেওয়া সম্ভব হয়নি।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, পরীক্ষার হলে একজনও কক্ষ পরিদর্শক নেই এমন ধরনের ঘটনা ঘটার কথা নয়। আমরা প্রতিটি রুমেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক দিয়েছিলাম। পাশাপাশি কর্মকর্তারাও ইনভিজিলেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আসলে এটা তো জোরজবরদস্তির কোন বিষয় নয় যে কোন শিক্ষককে বাধ্য করে আনা হবে। আমি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ছিলাম তখন পিয়নদের দিয়েও দায়িত্ব পালন করিয়েছি।

উল্লেখ্য, গুচ্ছের ইবি কেন্দ্রের ক (বিজ্ঞান) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৬৪৪২ জন পরিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আগামী ০৩ মে বি (মানবিক) এবং ১০ মে সি ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।