সেই ১৯৮৬ সালে ডিয়াগো ম্যারাডোনার হাত ধরে বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর দীর্ঘ ৩৬ বছর পেরিয়ে গেলেও বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি জিততে পারেনি লে আলবিসেলেস্তেরা।
যদিও গত ২০১৪ বিশ্বকাপে শিরোপার খুব কাছাকাছি গিয়েছিল তারা। তবে জার্মানির কাছে হেরে হতাশা নিয়ে ফিরতে হয়েছিল আকাশি নীল শিবিরকে।
চলতি কাতার বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন লিওনেল মেসি। তাই নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপে ট্রফি জয়ের শেষ সুযোগ পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এই তারকা। মরুর বুকে এবারের বিশ্ব আসরের মঞ্চে দারুণ ফর্মেও রয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী এই খুদে জাদুকর। তার হাত ধরে ইতোমধ্যে সেমিতেও পৌঁছে গেছে আর্জেন্টাইনরা। যেটি করতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।
এদিকে ২০০২ সালের পর ২০ বছর পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণ আমেরিকায় আসেনি কোনো বিশ্বকাপ ট্রফি। এবার সেই লালিত স্বপ্ন পূরণ করতেই কিনা ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন চাচ্ছে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতুক।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে হারটা বেশ তাঁতিয়ে বেড়াচ্ছে ব্রাজিলকে। কেননা এই ম্যাচ জিতলেই ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াই হতো সেমিফাইনালে। সেটি হয়নি। বাদ পড়ে গেছে ব্রাজিল। তবে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) সহসভাপতি ফার্নান্দো সারনে এখন চাইছেন, আর্জেন্টিনারই বিশ্বকাপ জিতুক। তাতে দক্ষিণ আমেরিকায় তো কাপটা যাবে!
স্পোর্টস সেন্টার ব্রাজিলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সারনে বলেন, ‘আমরা এখন সবাই একতাবদ্ধ। সময়ের পরিক্রমায় আমরা এখন সবাই আর্জেন্টিনা। আশা করছি দক্ষিণ আমেরিকার হয়ে তারা কাপ নিয়ে আসবে।’
২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। যদিও সেবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে খেলতে পারলেও ব্রাজিল সেমিতেই বিদায় নেয়। এবারও আগেভাগে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। আগামী মঙ্গলবার রাত একটায় সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা, যাদের হাতেই এখন লাতিন পতাকা





