রাজধানী ঢাকার মিরপুরে আন্দোলন চলাকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ইকরামুল হক সাজিদকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত সাজিদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ সেশনের হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ৭৩ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন নিহতের বাবা।
মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, তথ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ আরাফাত, পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন-উর-রশিদ, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় আন্দোলনে যোগ দেন সাজিদ। সেখানে আগে থেকেই আওয়ামী লীগের কয়েকশ নেতাকর্মী অবস্থান নেয়। এ সময় দলটির নেতাকর্মীদের হামলায় অনেকে আহত হন। একপর্যায়ে হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হন সাজিদ। গুলিটি তার মাথা ভেদ করে চোখ দিয়ে বেরিয়ে যায়।
এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপাচার করা হয়। তবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটেনি। পরে গত ১৪ আগস্ট আনুমানিক দুপুর দুই ঘটিকায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাজিদ।
উল্লেখ্য, ইকরামুল হক সাজিদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল।





