Wednesday, 4 November 2026
শিরোনাম
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি নিজের মোবাইল সিম ছাড়া এনআইডি সংশোধন নয় দেশের বাজারে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি-অটোগ্যাস,কোন সিলিন্ডার কত? করিমগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন ৩ বছর বয়সে কোরআন মুখস্থ করে তাক লাগিয়ে দিল শিশু ফারিহ ভালোবেসে বিয়ে, মাদক ছাড়তে বলায় স্ত্রীকে হত্যা করল স্বামী বিএসএফ সদস্যদের রাস্তায় ফেলে পেটাল গ্রামবাসী, আহত ৩ সেই শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ মিরপুরে পুলিশ সদস্যকে একা পেয়ে বেধড়ক পেটালেন আন্দোলনকারীরা ইসলামি বক্তা ডা.জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠাবে না মালয়েশিয়া
জাতীয়

আত্মহত্যার প্রধান কারণ ইগো: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

• • পঠিত 12 বার
শেয়ার করুন:
আত্মহত্যার প্রধান কারণ ইগো: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি কর’ স্লোগান সামনে রেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিলন হলে মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সুইসাইড ক্লিনিকের উদ্যোগে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

   

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, আত্মহত্যা শব্দটি হলো ইনটেনশনালি নিজেকে মেরে ফেলা। আত্মহত্যার অন্যতম কারণ হলো ইগো। এটি হলো নিজের মতামতের বাইরে অন্য মতামত অগ্রহণযোগ্য।

 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, আত্মহত্যার আরেক কারণ হলো ডিপ্রেসন। ইদানিং তা বেড়ে গেছে। করোনায় অনেকের ডিপ্রেসনের কারণে ব্লাড প্রেসারও বেড়ে গেছে। ডায়াবেটিস যাদের ছিল না, তাদেরও তা হয়েছে। চোখের পাওয়ার বেড়ে গেছে। অনেকে চশমা পরতেন না, ওদেরও সেটার প্রয়োজন হয়েছে।

 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, আত্মহত্যার আরেক কারণ হলো ডিপ্রেসন। ইদানিং তা বেড়ে গেছে। করোনায় অনেকের ডিপ্রেসনের কারণে ব্লাড প্রেসারও বেড়ে গেছে। ডায়াবেটিস যাদের ছিল না, তাদেরও তা হয়েছে। চোখের পাওয়ার বেড়ে গেছে। অনেকে চশমা পরতেন না, ওদেরও সেটার প্রয়োজন হয়েছে।

 

তিনি বলেন, জেনেটিক কারণেও অনেকে আত্মহত্যা করে থাকেন। পরিবারের মধ্যে কারো যদি এ ধরনের টেন্ডেসি থাকে, তাদের এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

   

মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও রেসিডেন্ট আত্মহত্যার প্রবণতা, সম্প্রতি আত্মহত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার বের করার জন্য গবেষণায় মনোযোগ দেয়ার নির্দেশনাও প্রদান করেন শারফুদ্দিন আহমেদ।

   

গুরুত্বপূর্ণ ওই সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার, এনডিডি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ডা. গোলাম রাব্বানী, বাংলাদেশ অ্যাসোশিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী, এটিসিবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ঝুনু শামসুন নাহার।

   

এছাড়া সেমিনারে ‘ম্যানেজমেন্ট অব সুইসাইড সারভাইভারস’ এর ওপর প্যানেলিস্ট হিসেবে বিশিষ্ট মনোশিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডা. এম মুহিত কামাল আলোচনা করেন।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নাহিদ মাহজাবিন মোরশেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সুইসাইড ক্লিনিকের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. মহসীন আলী শাহ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. সিফাত-ই-সাইদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মনোরোগ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ফাতেমা জহুরা এবং অনুষ্ঠানটির সমন্বয় করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম আতিকুর রহমান।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।