তুমি যেদিন বলবা যে, আমি পাস করেছি, আমকে জব দেন। সেদিন থেকেই চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই (দুই মাসের মধ্যে) একটা জব দেয়ার। তোমার জব তো হবেই, এ পর্যন্ত আমি ৬-৭ জনকে জব দিয়েছি।’‘আমি বলব এটা তোমার জন্য বড় একটা সাপোর্ট।
আমার মতো পাগলা মার্কা মানুষ তোমার লাইফের পাশে আছে।’বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে এমনই আপত্তিকর কথাই বলছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিসের কর্মকর্তা টুটুল।
ইবির এক ছাত্রীর সাথে প্রকৌশল অফিসের কর্মকর্তা টুটুলের আপত্তিকর ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে `ইবির নিউজ' নামক আইডি থেকে এ ফোনালাপের অডিও ক্লিপটি পোস্ট করা হয়।
ফোনালাপটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হয়ে যায়। ভাইরাল হওয়া ৬ মিনিট ২১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুলের বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অডিও ভাইরালের পর বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
অডিওতে ছাত্রীর কাছে মন খুশি করার আবদার করে প্রকৌশলীকে বলতে শোনা যায়, 'খুশি করার মতো ছবি দিবা। একদম বোরকা-মোরকা পরে ঢেকেঢুকে ছবি দিলে তো কোনো-ই (লাভ) নাই। তোমার বন্ধুকে একটা ছবি দিবা, ছবি দেখে বন্ধু খুশি হবে।
আমি যখন যা চাইব সেভাবে করবা, এটা আমার অনুরোধ। এখন দুটো ছবি দাও, যেমন আছো তেমনভাবে দাও। তোমার সাজগোজের কিচ্ছু করার দরকার নাই।
আরো পড়ুন:হিযবুত তাহরীরের ৬ ‘জঙ্গি’কে ধরিয়ে দিতে সহায়তা চায় এটিইউএছাড়া তিনি আক্ষেপ করে আরো বলেন, ‘একটা ছবি চাইলাম, ছবি পাইলাম না, মনের কষ্ট থেকে গেলো।’
ভাইরাল অডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়, বিভিন্ন সময়ে পুরস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে টুটুল ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এদিকে অডিও ভাইরালের পরে বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে কুষ্টিয়ার একাধিক ছাত্রীসহ কয়েকজন নারীর সাথে মেলামেশা ও ভিডিওচিত্র ধারণের পর্ণগ্রাফি মামলায় টুটুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিলো।





