চট্টগ্রামের কলেজ ছাত্র সিবলী সাদিক রিদয় হত্যার আরো ২ উপজাতি আসামি কে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করেছে র্যাব।শনিবার রাতে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ও শাহ আমানত সেতুর নতুন ব্রীজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে উচিংথোয়াই মারমা (২৩) ও ক্যাসাই অং চৌধুরীকে (৩৬) গ্রেপ্তার করে র্যাবের।
রোববার (১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. মাহবুব আলম সংবাদ সম্মেলনে জানান "হৃদয়কে হত্যার পর মাংস খেয়ে ফেলেছে এমন একটি খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়।
এ বিষয়টি নিয়ে আমরা গ্রেপ্তার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তারা বলেছে, এ ব্যাপারে তারা জানে না। তবে শরীরের মাংস আলাদা করে ফেলে দেওয়া হয়েছিল এটি সত্য। তবে মাংস খাওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
হৃদয়কে খুনের বর্ণনা দিয়ে র্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মো. মাহবুব আলম আরোও বলেন, মুরগির খাবার বাইরে বিক্রি করে দিতেন খামারে কর্মরত উপজাতি শ্রমিকরা। এ নিয়ে প্রতিবাদ করেন পোলট্রি খামারের ম্যানেজার শিবলী সাদিক হৃদয়। এই নিয়ে খামারে কর্মরত উপজাতি শ্রমিকদের সঙ্গে কয়েক দফা তর্কাতর্কি হয়।
তখন থেকে শ্রমিকরা সিদ্ধান্ত নেয় হৃদয়কে উচিত শিক্ষা দেবেন। আর উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য তাকে খামার থেকে অপহরণ করে চট্টগ্রামের রাউজান-রাঙ্গুনিয়া উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দূর্গম পাহাড়ে নিয়ে যান।
সেখানে গলা কেটে হত্যা করে লাশ কলাপাতা দিয়ে ডেকে দেন। লাশ যাতে শনাক্ত না হয় এ জন্য ছুরি দিয়ে হাড় থেকে মাংস পৃথক করা হয়। এ কাজে ৮ থেকে ৯ জনের একটি দল অংশ নেয়। মূলত ৩ ধাপে কিলিং মিশন সম্পন্ন করে তারা।





