কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সুদের টাকা না পেয়ে মারধর করার পর এক দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে কয়া ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃত দিনমজুরের স্ত্রীর দাবি, তার স্বামীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। মৃত ব্যক্তি কয়া ইউনিয়নের কারিগরপাড়ার মধ্যেপাড়া গ্রামের মৃত নঈম উদ্দিন মালিথার ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৭০)।
নিহত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা খাতুন বলেন, তার স্বামী কয়া কামারপাড়া এলাকার নাসিরউদ্দিন ওরফে নছোরের তিন ছেলে বিপ্লব, পিপলু ও নয়নের কাছ থেকে সুদে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। সময়মতো সুদ দিতে না পারায় শনিবার সুদের কারবারিরা তাদের বাড়ির জমি দখল করে সীমানা পিলার গাড়তে গেলে তিনি ও তার স্বামী বাধা দেন। এ সময় সুদ কারবারিরা তাদের দুজনকে মারধর করে চলে যায়। ওই দিনই তিনি মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি রাখতে যান। রোববার সকালে বাড়ি ফিরে এসে তার স্বামীকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান।
তিনি আরও বলেন, বাড়িতে এসে দেখতে পান সুদের কারবারিরা তাদের বাড়ির জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে। তিনি চিৎকার করে এলাকাবাসীকে ডাকলে সুদের কারবারিরা চলে যায়।
তিনি দাবি করেন, কেউ বাড়িতে না থাকার সুযোগে তার স্বামীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে তারা।
কুমারখালী থানার ওসি আকিবুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।





