Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

সায়েন্স ল্যাবে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

admin • 10 Mar 2023, 09:32 AM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
সায়েন্স ল্যাবে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত

নিয়মমাফিক বিম-কলামের সমন্বয়ে ভবন তৈরি করার কথা। তবে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরির পাশে মিরপুর রোডে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ‘শিরিন ম্যানশন’ ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল শুধু ইটের গাঁথুনি দিয়ে।

 

দুর্ঘটনার চার দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবন ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। গতকাল দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) এক সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। চার দিন আগে মিরপুর রোডে ওই ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়।

 

কী কারণে, কিভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনাটি, সেটি এখনো জানা সম্ভব না হলেও বিস্ফোরণের পর ভবনের দুর্বল কাঠামোকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

 

ডিএসসিসি সূত্র জানায়, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এত দিন ধীরগতি থাকলেও এবার জোরেশোরে মাঠে নামতে যাচ্ছে সংস্থাটি। এর আগে প্রতি মাসে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে একটি করে সভা হলেও সেটির কার্যকারিতা দেখা যেত না। এবার কার্যকর ভূমিকা রাখার কথা মাথায় রেখে নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে মাঠে নামছে ডিএসসিসি।

 

জানা যায়, মিরপুর রোডের ক্ষতিগ্রস্ত শিরিন ম্যানশন ভাঙার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত হলেও সেটি লিখিত আকারে জানানো হয়নি। আজ শুক্রবার লিখিতভাবে মালিকপক্ষকে জানানো হতে পারে। সিদ্ধান্ত জানানোর পর মালিকপক্ষ যদি ব্যবস্থা না নেয় তবে ডিএসসিসি ওই ভবন ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা নেবে।

 

ডিএসসিসির প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ গতকাল রাতে ডেইলী মিরর অব বাংলাদশকে বলেন, ‘ভবনটি নির্মাণে কোনো নিয়ম-কানুন মানা হয়নি। পুরো ভবন ইটের গাঁথুনির ওপর। এভাবে ভবন নির্মাণ করা যায় না। রাজধানীতে এমন ভবন ভাবা কষ্টকর। এর পরও এটা করা হয়েছে। বর্তমানে ভবনটি চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এটি ভেঙে ফেলা ছাড়া আর কোনো গতি নেই।’

 

ভবন মালিককে খুঁজছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ : এখনো ভবনটির মালিকের দেখা না পাওয়ায় তাঁকে খুঁজছে রাজউক কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া দুই দিন আগে সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনা নিয়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রাজউকের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। রাজউকের জোন-৫-এর অথরাইজড কর্মকর্তা প্রকৌশলী রংগন মণ্ডল বলেন, ভবনটির মালিক দেশের বাইরে থাকেন। এখানে একজন কেয়ারটেকার দেখাশোনা করেন। ঘটনার পর মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে সিদ্দিকবাজারে আরেকটি ভবনে বিস্ফোরণের পর রাজউকের কর্মকর্তারা সেটি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

 

এদিকে সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণের ঘটনায় ওই ভবন নিয়ে কী করা হবে, সে সিদ্ধান্ত নিতে রাজউক একটি কারিগরি কমিটি করেছে। ভবনটি নিয়ম মেনে নির্মাণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আরেকটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।