কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজের স্ত্রী ও এক শিশু সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও এক সন্তান। তাকেও জবাই করে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী এহেছানুল হক পালিয়েছেন।
নিহতরা হলেন- কুতুপালং ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-৬ ব্লকের এহতেহানুল হকের স্ত্রী শহীদা নুর প্রকাশ সুফিয়া (৩০) ও তার শিশু সন্তান মোহাম্মদ শামীম (৫)। এ ঘটনায় তার বড় সন্তান মো. আফছার প্রকাশ বাপ্পী (১৪) কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মাঝি মোহাম্মদ হুসাইন জানান, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উখিয়ার ৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লকে পারিবারিক কলহের জেরে রোহিঙ্গা এহেসানুল হক ও তার স্ত্রী শহীদা নুর ওরফে সুফিয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে এহেসামুল হক ধারালো দা দিয়ে তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে শামীম ও মোহাম্মদ আফছার ওরফে বাপ্পীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলে স্ত্রী সুফি ও ছোট ছেলে শামীম নিহত হয়। এ সময় গুরুতর আহত বড় ছেলে বাপ্পীকে উদ্ধার করে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপ্পী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত এহেছানুল হক পালিয়ে যান।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।





