Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
এক্সক্লসিভ

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ মঙ্গলবার

admin • 01 Jun 2026, 12:18 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীর বিচার শুরু, সাক্ষ্যগ্রহণ মঙ্গলবার

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

 

একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী মঙ্গলবার (২ জুন) দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার (১ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ আদেশ দেন। অভিযোগ গঠনের পর আদালত আসামিদের কাছে নিজেদের দোষী বা নির্দোষ সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা নির্দোষ দাবি করেন।

 

এ সময় সোহেল রানা আদালতে বলেন, তার স্ত্রীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এর আগে সকালে কারাগার থেকে তাদের আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করেন। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় রাষ্ট্রীয় খরচে ঢাকা বারের সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি শুনানিতে আসামিপক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠান। মামলার নথি অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার (৮) গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হলে প্রতিবেশী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।

 

পরে শিশুটিকে খুঁজতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা ওই ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেন।

 

এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে এবং প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে আটক করে। পরদিন আদালতে সোহেল রানা দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।