নাটোরের সিংড়ায় যমজ তিন কন্যাশিশুর খাবার জোগাতে হিমশিম খাওয়া পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক।
বুধবার (১৫ মার্চ) প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব রাকিবুল ইসলাম সিংড়ায় তিন শিশুর বাড়িতে গিয়ে মা সুমি আক্তারের হাতে প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোল্লা মো. এমরান আলী রানা, সিংড়া মডেল প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আরিফ, সিংড়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জয়তুন বেগমসহ অনেকে।
জানা যায়, গত ৫ মাস আগে নাটোরের সিংড়া পৌর এলাকার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী সুমি আক্তার একসঙ্গে তিন জমজ কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। তাদের নাম রাখা হয় পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা। তাদের সংসারে আগেও ৫ বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
যমজ তিন কন্যার জন্ম হওয়ায় পরিবারে বেশ আনন্দেই দিন কাটছিল। কিন্তু কিছু দিন যেতেই সেই আনন্দে দারিদ্র্যতার কালো মেঘের ছায়া নেমে আসে। সন্তানদের মুখের আহার জোগাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারকে। বাবা আরিফুল ইসলাম দিনমজুরের কাজ করেন। সংসার আর সন্তানদের খাবার জোগাতে কখনো রাজমিস্ত্রি, কখনো আবার রিকশা চালিয়ে সন্তানদের জন্য সংসারের খরচ মিটাতে হচ্ছে বাবাকে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এ বাজারে দিনমজুরের কাজ করে যা আয় করেন তা দিয়ে তিন যমজ সন্তানের দুধ আর পরিবারের মুখে খাবার জোগাতে চরম দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ফলে খাদ্যের অভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে যমজ তিন শিশুসহ পরিবারটি।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পরে আবেগে আপ্লুত হয়ে সুমি আক্তার বলেন, মন্ত্রী আমাদের পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এ জন্য স্যারের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
সুমি আক্তারের দাবি, আমার স্বামী একজন দিনমজুর তার একটা কর্মের ব্যবস্থা এবং আমাদের একটি গৃহের ব্যবস্থা করে দিলে আমরা খুবই উপকৃত হতাম।





