সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানী বাজারে নিত্যপণ্যের দামে কোনো সুখবর নেই। বরং এক সপ্তাহ পার হলেও সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না আলু-পেঁয়াজ। ডিমের দাম কিছুটা কমলেও তা নাগালে আসেনি। সুফল মিলছে না ভোক্তা অধিকারের অভিযানেও। বাজার করতে এখনও নাভিশ্বাস ভোক্তাদের।
এদিকে বৃষ্টির অজুহাতে বাজারে দাম বেড়েছে সবজির। মাছের দামও চড়া।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৬ ঘণ্টার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত রাজধানী। ভারী বর্ষণে পানি ঢুকে পড়ে বাসা ও দোকানপাঠে। রাত ১২টার পর বৃষ্টি কমলেও সকাল পর্যন্ত পানির নিচেই দেখা গেছে বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট।
রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আজ শুক্রবারও আলু কিনতে হচ্ছে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে। যদিও আলুর দাম কেজিপ্রতি ৩৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল সরকার। পেঁয়াজের দামও কেজিতে ৭৬ থেকে ৮৫ টাকা। আমদানির পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। মানা হচ্ছে না সরকারি দাম।
১৪৪ টাকায় মুরগির ডিমের ডজন বিক্রির কথা থাকলেও বাজারে কিনতে হচ্ছে ১৪৫ টাকায়। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে ডজনে ৫ টাকা।
আলু, ডিম ও পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছুটির দিনেও চলে জাতীয় ভোক্তা অধিকারের তদারকি। যদিও এমন অভিযানের ফলাফল শূন্য।
ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, বাজার তদারকিতে রাজধানীতে প্রতিদিন ৩টি দল কাজ করছে। এসব তদারকি কার্যক্রম চলমান থাকবে।
সবজির বাজারেও বেড়েছে দাম। কারওয়ান বাজারের সবজি ব্যবসায়ী রতন আহমেদ বলেন, বৃহস্পতিবারের বৃষ্টির পর সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে। রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, রামপুরা, বনশ্রী, মালিবাগ বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারগুলোতে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়, ঢেড়স ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, উস্তা ১০০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি।
মাছের বাজারেও একই চিত্র। কেজি প্রতি বিভিন্ন মাছের দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা। এক কেজি সাইজের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা।





