৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে বিশ্বকাপের আসর। মূল লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ জয়ও পেয়েছে টাইগাররা। অন্যান্য সময়ের চেয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে এবার বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনেক বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ পেসারদের পারফরম্যান্স আশা জাগানিয়া। তাই বিশ্বকাপে পেসারদের গুরুত্ব বড় করে দেখছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
রবিবার (১লা অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড পেইজে এক ভিডিও বার্তায় মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ যদি বেস্ট রেজাল্ট করে সেটা হবে পেস বোলিংয়ের জন্য। যদি খুব খারাপ করে সেটাও হবে পেসারদের জন্য। কারণ উইকেট এতো ফ্লাট থাকবে যে ১৫-২০ রানে ম্যাচের ডিফরেন্স তৈরি হবে। প্রতিপক্ষকে ২৫০-৩০০ রানের মধ্যে রাখতে চাই, তাহলে ফাস্ট বোলারদের অবশ্যই অবশ্যই ভালো বোলিং করতে হবে। সেক্ষেত্রে ৩৪০-৩৫০ রান হয়ে গেলে কঠিন হবে, বাংলাদেশের ওই রান করার সামর্থ্য নেই বলছি না, তবে কঠিন হবে।’
ভারতীয় উপমহাদেশে বরাবরই স্পিনাররা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে। তবে বিশ্বকাপে এমন উইকেট মিলবে না। আইসিসির ইভেন্টে বেশিরভাগ খেলতে হবে ফ্ল্যাট উইকেটে। প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ড এবং পাকিস্তান ম্যাচেই সেটা দেখা গেছে। যেখানে বোলারদের জন্য কঠিন ছিলো কন্ডিশন। তবে এশিয়া কাপে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ভালো বোলিং করার সামর্থ্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে ভারতের ব্যাটিং বান্ধব উইকেটেও পেসাররা ভালো বোলিং করবে বাংলাদেশ, এমন প্রত্যাশা মাশরাফির।
‘পাকিস্তানের ফ্লাট উইকেটে তাদের বোলিংয়ের লেন্থ, সুইং, লাইন সবকিছু দেখে মনে হয়েছে সম্ভবত বিশ্বের ওয়ান অফ দ্য বেস্ট পেস বোলিং অ্যাটাক এখন বাংলাদেশের। পরিসংখ্যান দেখলেও বাংলাদেশ এক- দেড় বছরে সেরা তিন-চারের মধ্যে আছে। এই পেস বোলিংয়ের ওপর ভরসা রাখাই যায়। শুধু একটায় প্রার্থনা, যেন ফিট থেকে টুর্নামেন্ট খেলে আসতে পারে।’
শরীফুল ইসলামের বোলিং বাড়তি নজর কেড়েছে মাশরাফির। যুব বিশ্বকাপজয়ী এই ক্রিকেটার নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘আমার যেটা সবচেয়ে ভালো লাগছে, তা হলো শরিফুল ইসলামের বোলিং। মুস্তাফিজ অনেক আগে থেকে, ডানহাতি বোলারের ক্ষেত্রে বল ভেতরে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে, কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত শিখেছে (সুইং) শরিফুল। সম্প্রতি তার বোলিং দেখলে বুঝবেন, সে ডানহাতিদের খুব ভোগাচ্ছে।’





