Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
জেলার খবর

বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে ৯ শিশুসহ ২৫ জন হাসপাতালে

admin • 20 Jan 2024, 08:50 AM • পঠিত 2 বার
শেয়ার করুন:
বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে ৯ শিশুসহ ২৫ জন হাসপাতালে

বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে শতাধিক ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে ২৫ জনকে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এরা রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১১ জন নারী ও ৯ জন শিশু। অসুস্থ অন্যরা ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর ও মতলবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমান্দারি ইউনিয়নের চরমান্দারি গ্রামের তপদার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। কনে এই বাড়ির তোফায়েল তপদারের মেয়ে তারিন আক্তার। বর রায়পুর উপজেলার কেরোয়া গ্রামের বসু পাটওয়ারী বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা তছলিম উদ্দিন পাটওয়ারীর ছোট ছেলে মো. মানিক হোসেন।

দুপুরে ভোজের পর সন্ধ্যা থেকেই শতাধিক ব্যক্তি বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হতে শুরু করেন। এরপরই তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন— তছলিম উদ্দিন পাটওয়ারী (৭০), সোহাগ (২৪), রাব্বি হাছান (৪), ফাইজা (৩), আয়েশা (২৫), শাহাআলম (৬০), তানজিনা (২০), তাজনিন (৪), আনাস (২), নাজিফা (৬), নাছিমা (১), নুসরাত জাহান (১৫), শিউলী আক্তার (৪৫), আহাদ ইসলাম (১), সুলতানা রাজিয়া (২৮), ছাদিয়া (১২), ফাতেমা (৩৫), ভুট্টো পাটওয়ারী (৫৬), নুরজাহান (৫৫). রায়হান (১৬), তাছলিমা আক্তার (৩৫), রুবি (২৮), আনোয়ার (৫০), আফরোজা (২৪) ও আলিফা (৭)।

বরের বড় ভাই মো. মাসুম পাটওয়ারী (৩০) বলেন, ‘সম্ভবত দই থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে। অসুস্থদের চিকিৎসা চলছে। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিদের সবাই কম বেশি অসুস্থবোধ করছেন। এ ঘটনার পর শনিবার আমাদের বাড়িতে দুপুরের বৌভাত অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে।’

কনের মামা মো. আজহার ভূঁইয়া বলেন, ‘অনুষ্ঠানে প্রায় তিনশ অতিথি খাবার খেয়েছেন। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি খাদ্যে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের রায়পুর, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর ও মতলবে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতেই রয়েছেন। একই খাওয়ার খাওয়া অন্যরা সুস্থ রয়েছেন।’

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এমনটি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা। এরপরও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হলে নিশ্চিত কারণ জানা যাবে। ভর্তি হওয়া ২৫ জনকে সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তাঁরা আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় কাউকে অন্যত্র রেফার করা হয়নি।’

বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে শতাধিক ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছেন। এদের মধ্যে ২৫ জনকে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এরা রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের কেরোয়া গ্রামের বাসিন্দা।

হাসপাতালে ভর্তি ২৫ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ১১ জন নারী ও ৯ জন শিশু। অসুস্থ অন্যরা ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর ও মতলবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমান্দারি ইউনিয়নের চরমান্দারি গ্রামের তপদার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। কনে এই বাড়ির তোফায়েল তপদারের মেয়ে তারিন আক্তার। বর রায়পুর উপজেলার কেরোয়া গ্রামের বসু পাটওয়ারী বাড়ির বীর মুক্তিযোদ্ধা তছলিম উদ্দিন পাটওয়ারীর ছোট ছেলে মো. মানিক হোসেন।

দুপুরে ভোজের পর সন্ধ্যা থেকেই শতাধিক ব্যক্তি বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হতে শুরু করেন। এরপরই তাদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন— তছলিম উদ্দিন পাটওয়ারী (৭০), সোহাগ (২৪), রাব্বি হাছান (৪), ফাইজা (৩), আয়েশা (২৫), শাহাআলম (৬০), তানজিনা (২০), তাজনিন (৪), আনাস (২), নাজিফা (৬), নাছিমা (১), নুসরাত জাহান (১৫), শিউলী আক্তার (৪৫), আহাদ ইসলাম (১), সুলতানা রাজিয়া (২৮), ছাদিয়া (১২), ফাতেমা (৩৫), ভুট্টো পাটওয়ারী (৫৬), নুরজাহান (৫৫). রায়হান (১৬), তাছলিমা আক্তার (৩৫), রুবি (২৮), আনোয়ার (৫০), আফরোজা (২৪) ও আলিফা (৭)।

বরের বড় ভাই মো. মাসুম পাটওয়ারী (৩০) বলেন, ‘সম্ভবত দই থেকে বিষক্রিয়া হয়েছে। অসুস্থদের চিকিৎসা চলছে। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিদের সবাই কম বেশি অসুস্থবোধ করছেন। এ ঘটনার পর শনিবার আমাদের বাড়িতে দুপুরের বৌভাত অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে।’

কনের মামা মো. আজহার ভূঁইয়া বলেন, ‘অনুষ্ঠানে প্রায় তিনশ অতিথি খাবার খেয়েছেন। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি খাদ্যে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের রায়পুর, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর ও মতলবে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতেই রয়েছেন। একই খাওয়ার খাওয়া অন্যরা সুস্থ রয়েছেন।’

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, ‘খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এমনটি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা। এরপরও খাবারের নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হলে নিশ্চিত কারণ জানা যাবে। ভর্তি হওয়া ২৫ জনকে সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তাঁরা আশঙ্কামুক্ত হওয়ায় কাউকে অন্যত্র রেফার করা হয়নি।’

মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।