বউমা আসার খবরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক সমস্যার সমাধানে টাকা পয়সা লেনদেনের পর সমস্যা মেটাতে তালবাহানা করার ফলে এমন হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা। নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের ফুলবাড়ি ময়দানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে ঘটেছে।
জানা যায়, ২০১১ সালে প্রেম করে পরিবারের অমতে বামুনিয়া ইউনিয়নের চুলানীপাড়া গ্রামের সুধীর চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী রতন চন্দ্র দাস বিয়ে করেন ওই এলাকার রিতা রানী দাসকে। রিতা রানী দাস জানান, প্রথমে মেনে না নিলেও এলাকাবাসীর চাপে গ্রহণ করে রতনের পরিবার। এরপরই শুরু যৌতুকের চাপ ও নির্যাতন। যৌতুক না আনায় রিতাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। রিতার অভিযোগ রতন তার পেটের বাচ্চা নষ্ট করিয়েছে। ২০১২ সালে এসবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হওয়ার পর রিতা ঢাকায় গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে থাকে। কিন্তু স্বামী রতন ও তার পরিবার আবার সংসারের কথা বলে কয়েক ধাপে ৫ লাখ টাকাও নেয়।
রতনের খালাতো ভাই একই গ্রামের শ্রী শান্তি পদ দাস জানান, গতকাল বিকেলে রিতা বাড়িতে আসার খবর পেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে রতনসহ তার পরিবারের সদস্যরা। সে জানায় রিতার অভিযোগ মোটামুটি সত্য। শান্তি পদ বাবু নিজেও পারিবারিকভাবে অনেকবার শান্তির চেষ্টা করেছে কিন্তু কেউ কথা শুনেনি।
রতনের প্রতিবেশীরা জানায়, রিতার দাবি যৌক্তিক। টাকা-পয়সা না নিলে তারা বাড়ি ছেড়ে পালাবে কেন? আলোচনার মধ্য দিয়ে সমস্যা সমাধানের পথ তারা আবারও শান্তিতে সংসার জীবনে ফিরুক এমন প্রত্যাশা সবার।
বামুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি অবগত। পরিবার দুটির সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে শ্রী রতন চন্দ্র দাসের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সাড়া মেলেনি।





