জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় শিশু হাবিবা হত্যার সাথে জড়িত দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যাক্তিরা হলেন, দেওয়ানগঞ্জের কদমতলা গ্রামের কাসেম মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া এবং কুড়িগ্রামের দুশমারা থানার নয়ারচর গ্রামের মৃত হাফেজ শেখের ছেলে আবুল কাসেম।
রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে সবুজ মিয়াকে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর এবং রাতে আবুল কাসেমকে দুশমারা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে র্যাব ১৪ এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-১ স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান জানান, দেওয়ানগঞ্জের বাঘারচরে নিখোঁজের দুই দিন পর ১১ সেপ্টেম্বর ভোরে বাড়ির পাশে থেকে চার বছর বয়সী শিশু হাবিবার মরদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় হাবিবার বাবা আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপরই তদন্ত শুরু করে র্যাব।
তদন্তের এক পর্যায়ে তারা জানতে পারেন যে- শিশু হাবিবা নিখোঁজের পর সবুজ তাকে খুজে দিতে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। হাবিবার পরিবার এতে রাজি হলেও মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে পলাতক থাকে সবুজ।
পরে তদন্ত করে সবুজ ও কাসেমকে গ্রেপ্তার করা হলে তারা র্যাবকে জানান- পূর্ব শত্রুতার জেড় ধরে ৯ সেপ্টেম্বর দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে হাবিবাকে প্রলোভন দেখিয়ে তুলে নেন তারা। এরপর পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতনের পর হাবিবার শরীরে ব্যাটারীর পানি ঢেলে দেন তারা। এরপর হাবিবার মরদেহ ১১ তারিখ রাতে বাড়ির পাশে রেখে চলে যায় সবুজ ও কাসেম। গ্রেপ্তার হওয়া দুইজনকে দেওয়ানগঞ্জ থানায় সোপর্দের কথা জানিয়েছে র্যাব।





