পিতৃত্বকালীন ছুটি নিশ্চিত করতে নীতিমালা-নির্দেশিকা বা যথাযথ আইনি বিধান করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি কর্মক্ষেত্রে পিতৃত্বকালীন ছুটি না থাকা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যসচিব, শ্রমসচিব ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলেছেন আদালত।
মঙ্গলবার এসংক্রান্ত এক রিটে প্রাথমিক শুনানির পর বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান ও তার ছয় মাস বয়সী শিশু নুবাইদ বিন সাদী গত ৩ জুলাই এ রিট করে। আদালতে রিটের পক্ষে ইশরাত নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল তৌফিক সাজওয়ার পার্থ। শুনানিতে শিশু নুবাইদ বিন সাদীকে নিয়ে এসেছিলেন তার মা ইসরাত হাসান।
আদেশের পর রিটকারী শিশুটিকে কোলে নিয়ে আদর করেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি নাইমা হায়দার। আদেশের পর পিতৃত্বকালীন ছুটির গুরুত্ব তুলে ধরে আইনজীবী ইসরাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মা-সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলেও তাদের পরিচর্যায় কর্মজীবী বাবারা চাইলেও পাশে থাকতে পারেন না।
আইন বা নীতিমালা না থাকায় তারা তাদের কর্মক্ষেত্র থেকে ছুটি পান না। পাকিস্তান, ভুটান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের ৭৮টিরও বেশি দেশে পিতৃত্বকালীন ছুটির বিধান থাকলেও আমাদের দেশে তা নেই।’





