পদ্মা সেতু, রেল লাইন, ট্রেন সবই প্রস্তুত আছে। এখন শিডিউল করে চলাচল শুরু করলেই কুষ্টিয়া অঞ্চলের মানুষ অল্প সময়ে সরাসরি ঢাকা যেতে পারবে। এতে ২ ঘণ্টা সময় কম লাগবে, খরচ কমে আসবে প্রায় ২০০ টাকা, কমবে ভোগান্তি।
এ কারণেই পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার খবরে আনন্দিত কুষ্টিয়ার মানুষ। এ পথে ঢাকা যাওয়ার অপেক্ষায় তারা। বলছেন, এতে সূচনা হবে নতুন দিগন্তের।
খুলনা ও বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতু পেরিয়ে ঢাকা যায়। এ পথে না গিয়ে এখন সহজেই কুষ্টিয়া শহর ও ফরিদপুরের ভাঙ্গা হয়ে পদ্মাসেতু পাড়ি দিয়ে ঢাকা যেতে পারে। এতে পথ কমবে ৭০ কিলোমিটারের মতো, আর সময় বাঁচবে ২ ঘণ্টা, বাঁচবে খরচও।
এছাড়াও রাজশাহী থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত চলা মধুমতি এক্সপ্রেসকেও সরাসরি পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে ঢাকা নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই তিনটি ট্রেনে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকা যাওয়া যাবে এ আশায় এখন এ অঞ্চলের মানুষ।
ব্যবসায়ী শরীফুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু হয়ে ট্রেনে ঢাকা যাতায়াত শুরু হলে বাণিজ্যে গতিশীলতা আসবে। খুলে যাবে নতুন দিগন্ত।
তবে কুষ্টিয়া থেকে ট্রেনে চেপে ঢাকা যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি এখনও। কারণ কুষ্টিয়া হয়ে ট্রেন ঢাকা যাওয়ার বিষয়ে কোন শিডিউল হয়নি বলে জানিয়েছেন রেলওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।





