ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে এ শোক পালন করা হবে। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। একই সঙ্গে নিহতদের আত্মার শান্তির জন্য দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
উল্লেখ্য, ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা ১০ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে।এর মধ্যে বেশি প্রাণহানি হয়েছে তুরস্কে। কেবল তুরস্কেই প্রাণহানি দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১০৮ জন। আর সিরিয়ায় এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭০ জনের মৃত্যুর খবর পাওযা গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে এই মুহূর্তে নিহতের সংখ্যা ৯ হাজার ৫৭৮ জন।
হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্সের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও'র কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন নিহত মানুষের সংখ্যা ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ শহর। ভূমিকম্পের পরে শতাধিক আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
গত সোমবার ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে এই ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে। বেশিরভাগ মানুষ তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। বহুতল ভবন ধসে পড়ে ঘুমন্ত মানুষের ওপর। মোমের মতো ধসে পড়েছে একাধিক ভবন। ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে তুরস্ক ও সিরিয়ার বিস্তৃত এলাকা মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। মিসর, লেবানন ও সাইপ্রাস থেকেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।





