টেকনাফ ও বান্দরবান সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। গত ২৬ জানুয়ারি থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারে সামরিক জান্তার সঙ্গে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির চলমান সংঘর্ষ ব্যাপক রুপ ধারণ করে। গত শুক্রবার বিকেলে রাখাইনের রামরি শহরে বোমারু বিমান নিয়ে আরাকান আর্মির ওপর হামলা চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
এ ছাড়া ((২৬ জানুয়ারি)) ভোর থেকে রাখাইনের বুচিডং ও ফুমালিতে রোহিঙ্গা-অধ্যুষিত এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। রোববার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু এলাকার ৩৪, ৩৫ এবং ৩৬ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে দুইটি হেলিকপ্টার দেখা যায় বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয়রা।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সামরিক বাহিনীর সঙ্গে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নতুন করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সেখানকার পরিস্থিতি এখনো থমথমে রয়েছে। আরাকান আর্মির সাথে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের বুলেট এসে পড়ছে বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যৎছড়ি সিমান্তে।
সিমান্তের এলাকাগুলো দখল করতে আরাকান আর্মি নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে লড়াই করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সাথে। গতকালও রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে এদিক-সেদিক যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা যাতে নতুন করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ না করে, সে জন্য বিজিবি সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি সেনাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান। আজ কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্ত পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ নির্দেশ দেন।





