জামালপুরে পুনাকের আয়োজনে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিকালে এ উপলক্ষে পুলিশ নারী কল্যান সমিতি (পুনাক), জামালপুরের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিশুদের নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পুনাক সভানেত্রী সানজিদা হক মৌ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান বিপিএম।
এসময় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় ৪২ জন স্কুলের কোমলমতি শিশুরা অংশগ্রহণ করেন। পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরন করেন পুলিশ সুপার।
পুনাক সভানেত্রী সানজিদা হক মৌ বলেন,শিশুরা তাদের চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন দেখে, সেই স্বপ্নকে বুকে নিয়ে ক্ষুদে চিত্রশিল্পীরা চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় তুলে ধরেন। তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পুনাকের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ।
এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, এদেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার ফল হিসেবে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এ দেশের রাজনীতিতে তার অনন্য ও অসাধারণ ভূমিকার জন্য তিনি চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
উল্লেখ্য, বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমা জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। এই মহীয়সী নারী ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে সপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন।





