কুষ্টিয়ার খোকসা আমলাবাড়ি বাজারে পুলিশের উপস্থিতিতে নির্মাণাধীন স্থাপনা ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিকেলে একজন প্রবাসীর স্থাপনা ভাংচুর করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন।
ভুক্তভোগী আত্তাপ জানান, কয়েক বছর পূর্বে বর্তমান গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেনের নিকট থেকে তার কাতার প্রবাসী মেয়ের জামাই রেজাউল এর নামে আমলাবাড়ি বাজারে ৪০ পয়েন্ট জমি কেনেন।
জমি কেনার পর থেকেই আমবাড়িয়া ইউনিয়নের গোসাইডাঙ্গি গ্রামের মৃত আজহার মিয়ার ছেলে রবিউল, সিরাজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম বাদশা বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা সৃষ্টি করতে থাকে। উল্লেখিত জমির উপর তিনি পাকা স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে রবিউল আদালতে দেওয়ানী মামলা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করায়।
নিষেধাজ্ঞা থাকাকালীন তিনি কাজ বন্ধ রাখেন বলে জানান। কিছুদিন আগে পূনরায় রবিউল একই জমির উপর মামলা করলে নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়ে গেলে তিনি পূণরায় কাজ আরম্ভ করেন। ইতিমধ্যে চলতি মাসের ২ তারিখে তার নির্মাণকৃত ভবনের ছাদ ঢালাই দেয়া হয়।
এবং ছাদ ঢালাইয়ের দুইদিন পর রোববার সাড়ে তিনটার দিকে রবিউল ও তার ভাইসহ প্রায় ১৫/২০ জন লোক সদ্য নির্মিত ভবন ভাংচুর করে। তিনি আরো জানান স্থাপনা ভাংচুর এর সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করেন। এসময় প্রতিপক্ষের লোকজন স্থাপনা ভাংচুরের পাশাপাশি তার দোকান থেকে নগদ অর্থ ও তার মেয়ের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে জানান।
এ বিষয়ে গোপগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোতালেব হোসেন জানান, তার কাছ থেকে প্রবাসী রেজাউল জমি কিনেছে। এবং রেজাউল এর শশুড় আত্তাপ পাশ্ববর্তী রবিউলদের ৫০ পয়েন্ট জমি ফেলে রেখেই স্থাপনা নির্মাণ করছে। কিন্তু হটাৎ করেই রবিউলরা সংঘবদ্ধ হয়ে এসে স্থাপনা ভাংচুর ও লুটপাট এর ঘটনা ঘটিয়েছে।
খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, আমলাবাড়ি বাজারে স্থাপনা ভাংচুরের সংবাদ পেয়ে থানা ও ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশের উপস্থিতিতে ভাংচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।





