দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার পুরাতন বাজারে পাইকারিতে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা তা বিক্রি করছেন ১৫ থেকে ২০ টাকায়। সোমবার (১ এপ্রিল) বিকেলে বিরামপুর পৌর শহরের পুরাতন বাজারে দেখা যায়, পাইকারিতে ১০ টাকা কেজি দরে কাঁচামরিচ বিক্রি করছেন কৃষক। উপজেলার দেওগ্রামের কৃষক মো. ফরিদুল ইসলামও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বিরামপুর পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক আক্কাস আলী জানান, চলতি বছর রবি মৌসুমে এই উপজেলায় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এতে পাইকারিতে ১০ টাকা কেজি মূল্যে বিকোচ্ছে কাঁচামরিচ।
কৃষকেরা বলছেন, এবার মরিচের উৎপাদন বেশি হওয়ায় সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম ব্যাপক কমে গেছে। মৌসুমের শুরুতে তা ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছিলেন। সবমিলিয়ে মরিচ উৎপাদন করে ক্ষতিগ্রস্ত হননি তারা।
বিরামপুর পৌর শহরের নতুনবাজার এলাকায় সবজির পাইকারি বাজারে গিয়ে জানা যায়, সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত হাইব্রিড জাতের (অনল-১৭০১ ও বিন্দু) কাঁচামরিচ ১৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর দাম কমতে থাকে। সর্বশেষ বিকেলে ৪টায় বেচা হয় ১০ থেকে ১২ টাকায়।
আগের দিন বিরামপুরের পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হয়। বাজারে আসা অধিকাংশ মরিচই উপজেলার কৃষকদের কাছ থেকে কেনা বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, গত দুই দিন ধরে বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠ থেকে কাঁচামরিচ আসছে। যে কারণে দামে ভাটা পড়েছে।
বিরামপুর নতুনবাজারে পাইকারি ব্যবসায়ী হরিবন্ধু বলেন, এবার কৃষকদের জমিতে মরিচের উৎপাদন ব্যাপক হারে বেড়েছে। এজন্য গত রোববার সকাল থেকে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। রমজানে পণ্যটির ক্রেতা কম। আবার আমদানি বেশি।
তিনি আরও বলেন, এদিন দুপুর পর্যন্ত ৫০ টাকা পাল্লা (৫ কেজি) দরে কাঁচামরিচ বিক্রি করেছি। যেভাবে সরবরাহ বাড়ছে তাতে মনে হচ্ছে, সামনে দাম আরো কমে যাবে।





