Thursday, 3 September 2026
শিরোনাম
ক্যাম্পাস জেলার খবর

ইবিতে ৬টি ককটেল উদ্ধার, ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক

admin • 12 Jan 2024, 09:17 PM • পঠিত 1 বার
শেয়ার করুন:
ইবিতে ৬টি ককটেল উদ্ধার, ক্যাম্পাসজুড়ে আতঙ্ক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিভিন্ন জায়গা থেকে ৬টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। এতে ক্যাম্পাসে একপ্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে দুইটা ও শুক্রবার সকাল ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

 

জানা যায়, ছয়টি ককটেলের মধ্যে রাতে লালনের পকেট গেটে দুইটি এবং সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে একটি, জিয়া হলের সামনে একটি এবং ব্যবসায় অনুষদ ভবনের পাশে দুইটি ককটেল সদৃশ পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সবগুলোই নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেন, গভীর রাতে গোয়েন্দা বাহিনীর মাধ্যমে তথ্যটি জানতে পারি। এখন পর্যন্ত ছয়টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। ইবি থানা পুলিশের সহায়তায় সবগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। ক্যাম্পাস খোলার পরেই এমন ঘটনা আতঙ্কজনক। তবে আমি মনে করি এটা কোনো রাজনৈতিক ইস্যু না। কে বা করা জড়িত সনাক্ত করা যায়নি। গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।

 

ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান বলেন, ইবি প্রশাসনের সাথে মিটিং শেষ হয়েছে। দিকনির্দেশনা অনুযায়ী তল্লাশি করা হবে। যেহেতু দৃশ্যমান স্থানে এসব বস্তু পাওয়া গেছে এবং একটাও বিস্ফোরণ ঘটেনি, সুতরাং সন্দেহজনকও বটে। তাই আগে পরে ক্যাম্পাসে কোনো ঘটনা আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ককটেল বিষয়টি আগ্নেয়াস্ত্রের সাথে সম্পৃক্ত সুতরাং বিষয়টিকে ছোট করে দেখা যাচ্ছে না। ক্যাম্পাসে এ ধরনের বস্তু পাওয়া দুর্ভাগ্যজনক। নির্বাচন কেন্দ্রিক কারোও কোনো নাশকতার ভাবনা থেকে থাকলে সবগুলো একজায়গায় থাকতো।

 

বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখা হতো না। বিভিন্ন জায়গায় ফেলে রাখা এটা উদ্বেগজনক। কেননা এখানে আমাদের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা চলাফেরা করেন। তাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যেও এটা করা হয়ে থাকতে পারে। ইবি থানা ও প্রক্টরিয়াল বডিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জিডি করা হবে।

 

এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে কিনা, জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ঠিক জানি না। তবে সারাবছর কমবেশি নিয়োগ বোর্ড থাকে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। এর সাথে ওটার সম্পৃক্ততা আছে কিনা বুঝতে পারছি না। পুলিশ তদন্ত করলে বিষয়গুলো বেরিয়ে আসবে।

 
মন্তব্য (0)

কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি করুন।

মন্তব্য করুন

মন্তব্যটি অনুমোদনের পর প্রকাশিত হবে।